kazi ashraful islam

kazi ashraful islam

Sunday, May 16, 2010

Friday, May 14, 2010

bangladesh info.com

jonoprio bangla site

destiny koren amar moto .........

ব্যবসা করবেন ব্যবসা? এমএলএম ব্যবসা?





মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে বলা হয় আপনি একটা পণ্য ব্যবহার করলেন এবং আপনার ভাল লাগলে সেটা অন্যজনকে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করলেন। যেমন একটা মুভি আপনার ভাল লাগল। সেটা আপনার বন্ধুকেও দেখতে বললেন। এভাবে পরোক্ষভাবে আপনি মুভিটির প্রচারণা / অ্যাডভার্টাইজ করলেন কিন্তু ঐ মুভির সংগে জড়িত কেউ আপনাকে কোন কমিশন দিলনা। কিন্তু মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ে আপনাকে একটা পণ্যর গুনগত মান অন্যকে প্রচার করলে বিনিময়ে ঐ পণ্যর মালিক আপনাকে একটি নির্দিষ্ট কমিশন দিবে। এতে আপনারও লাভ এবং পণ্য মালিকের লাভ। কিন্তু আপনাকে জোর করে যদি একটা নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে বলা হয় এবং ঐ পণ্য ভাল বা খারাপ যাই হোক জোর করে অন্যকে যদি বলতে বলা হয় পণ্যটি ভাল তবে?






সাধারণ বাজারে (ট্রাডিশনাল মার্কেটিং) যেসকল পণ্য বিক্রি হয় তা নিত্যব্যবহার্য যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্য থাকার কারণে মানুষ কিনতে পারে, কিন্তু মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ে এমন সব পণ্য বিক্রি করা হয় যা মানুষের জন্য কম প্রয়োজনীয়, অর্থ্যাৎ না কিনলেও চলে। যেমন বাংলাদেশের একটি এমএলএম প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রচলিত নাইজেলা নামক তেলের কথা বলা যায়। ঐ এমএলএম কোম্পানীতে ডিস্ট্রিবিউটরশীপ পেতে হলে যেকোন একটি পণ্য কিনতে হয়। প্রথমে নাইজেলা নিয়ে বলছি, ঐ প্যাকেজে নাইজেলা তেল দেয়া হয় ১০ বোতল (২৫০ মিলি: সম্ভবত)। ৫ বোতল খাওয়ার এবং ৫ বোতল মাখার। ১০ বোতলের দাম নেয়া হয় ৬০০০/ টাকা। প্রতি বোতলের দাম আসে ছয়শত টাকা করে। বাংলাদেশের মত গরীব দেশে ৬০০ টাকা দিয়ে একটা তেলের বোতল কেনার মতও মানুষের লোকের অভাব নেই। কারণ তাকে ডিস্ট্রিবিউটরশীপ পেতে হবে। আর অপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনে ডিস্ট্রিবিউটরশীপ হতেও কিছু সংখ্যক মানুষ রাজী। কারণ ভবিষ্যতে বিরাট অংকের টাকা আয় করার সুযোগ। দশ বোতল তেলই কিনতে হবে প্রতি বোতল ৬০০ টাকা করে।এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় পন্য গ্রাহককে কিনতে বাধ্য করা সুস্পষ্ট প্রতারণা । আর মুহাম্মদ (সা) বলেছেন


"যে প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত না "(মুসলিম ও তিরমিযি)










এমএলএম ব্যবসা যারা করেন তাদের একটা যুক্তি অহরহ দিতে শুনি বেকারত্বের সমস্যা। সরকার এবং প্রাইভেট কোম্পানীগুলো পর্যাপ্ত চাকরী দিতে পারছেনা। অনেকটা অসহায় হয়েই তারা এমএলএম ব্যবসা শুরু করেছে। আমার কথা হল যে ব্যক্তি বেকারত্বের জ্বালা বুঝে, সে নিশ্চয়ই টাকার মর্মও বুঝবে। কিভাবে তাহলে সে ৬০০ টাকা শুধু মাত্র একটা খাওয়ার / গায়ে মাখার তেলের পিছনে খরছ করে? তাও পাক্কা ১০ বোতল একসাথে কিভাবে কিনে? এ কোন ধরনের বিলাসিতা?






২। আরেকটা বহুল প্রচারিত প্রোডাক্ট হল গাছ বা ট্রি প্লান্টেশান। এখানেও রয়েছে বিশাল ধোকাবাজি। কেউ গাছের চারা কিনে ডিস্ট্রিবিউটর হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে তাকে কিনতে হবে ১৫ টি গাছের চারা। মূল্য ৫০০০/ টাকা। একটা চারা গাছের মূল্য পড়ে গড়ে ৩৩৩/ টাকা। চিন্তা করে দেখুন নার্সারীতে সাধারণত একটি গাছের চারা কত হতে পারে? ২০? ৩০? ৪০? ৫০? অথচ মাল্টি লেভেল মার্কেটিংয়ে একটি গাছের চারা কিনতে হচ্ছে তিনশত তেত্রিশ টাকা দিয়ে। তাও আবার ১৫ টা চারা একসাথে কিনতে হবে। এখানেও জোর করে অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা উক্ত এমএলএম কোম্পানী বনায়ন করে দেশের পরিবেশ রক্ষা করছে বলে মিথ্যা দাবি করছে। এটাকে কোনমতেই বনায়ন বলা যাবেনা। কারণ এখানে দেশের ও পরিবেশের স্বার্থ নেই, রয়েছে ব্যবসায়িক স্বার্থ। ১২ বছর পরে ঠিকই গাছগুলো কেটে ফেলা হবে। এই বনায়ন জিনিসটা একটা ব্যবসায়িক উসিলা মাত্র যেটা দিয়ে ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিল করা যায়।






৩। আরো কিছু প্রোডাক্ট রয়েছে যেমন ফুট ম্যসেন্জার, হেলথ বড়ি, ইত্যাদি ইত্যাদি। যেসবের ট্রাডিশনাল মার্কেটের প্রাইস সম্পর্কে গ্রাহকের কোন ধারণাই নেই। ফলে ইচ্ছামত দাম সেট করে এগুলো বিক্রি করা হচ্ছে। এখানেও গ্রাহককে অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য (যেটার দাম সম্পর্কে গ্রাহক অজ্ঞাত ) কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।






মুহাম্মদ (সা) বলেছেন :


"পণ্যের মূল্য সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান নেই এমন লোকের কাছে উচ্চ মূল্যে পণ্য বিক্রি করা নিঃসন্দেহে এক প্রকার জুলম।"


(ইবনে রুশদ, আল কাওয়ায়েদ, পৃষ্ঠা ৬০১)






আর হাজার হাজার টাকা খরচ করে যে ব্যক্তি পা মেসেজ করাতে পারে তার মুখে বেকারত্বের কথা মানায় না।






৪। বর্তমানে নতুন একটি গুজব শুনছি। ২০১২ সালের মধ্য বেকার দূর হবে । সবাই ৫০৪০০/ টাকা করে মাসে ইনকাম করবে। ৫০৪০০ টাকা মাসে ফিক্সড ইনকাম করতে হলে একটা পজিশনে যেতে হয় যেটার নাম ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ। কথা হচ্ছে ঐ কোম্পানীতে ওদের ভাষ্যমতে ডিস্ট্রিবিউটর আছে ২৫ লাখ+। কিন্তু বর্তমান ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ ৪০ এর ভিতরে। মানে ২৫ লাখের মাঝখানে ৪০ জন একটা পজিশনে যেতে পেরেছে। আর এই ৪০ সংখ্যায় আসতে সময় লেগেছে ৯ বছর। কিভাবে আর ২ বছরের মধ্য ওরা প্রায় ১ কোটি বেকার দূর করে তাদেরকে ৫০৪০০ টাকা ইনকাম করাবে ? আশা সেতো মরিচীকা!






৫। ট্রাডিশনাল মার্কেটিং সিস্টেমে পণ্য উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত আসার মাঝখানে বিভিন্ন শ্রেণীর সুবিধাভোগী থাকেন। যেমন


উৎপাদক → এজেন্ট → পাইকার → খুচরা বিক্রেতা → ভোক্তা।






আর মাল্টিলেভেল মার্কেটিং সিস্টেমের নিয়ম অনুযায়ী পণ্য উৎপাদক থেকে সরাসরি ভোক্তার হাতের নাগালে চলে আসবে। মাঝখানে কোন মধ্যস্থতাকারী থাকতে পারবে না। এভাবে হলে পণ্যর দামও কমে যাওয়ার কথা। কারণ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর হস্তক্ষেপে ট্রাডিশনাল মার্কেটিংয়ে দ্রব্যমূল্য যায় যেটা এমএলএমে হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আসলেই কি নেই? তাহলে একটা সাধারণ তেলের বোতলের দাম কেন ৬০০ টাকা হবে? বড়জোর ৩০০ টাকা হতে পারে সর্বোচ্চ। তাহলে বাকী ৩০০ টাকা আমি কাকে দিলাম? এভাবে পাবলিককে ধোকা দেয়া হচ্ছে।






একটি জিনিস খেয়াল করবেন এমএলএম সিস্টেমে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করা হয়না। কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম মানুষের জানা। তাই এসব জিনিসপত্রে এভাবে ডাকাতি করা সম্ভবনা। যেমন চাল, ডাল, ময়দা ইত্যাদি।






৬। আমরা বাংলাদেশে একটা রীতি দেখি। সেটা হল ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের রীতি। বিভিন্ন সরকারকে বছরে বছরে বিভিন্ন প্রজেক্টের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করতে দেখি কিন্তু সে অনুপাতে প্রজেক্ট গুলোর আলোর মুখ দেখিনা। সেরকম কিছু প্রজেক্ট বাংলাদেশী একটি এমএলএম কোম্পানীও নিয়েছে এবং বরাবরের মত ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনেই সীমিত আছে। (কিছু কিছু ক্ষেত্রে শুধু জায়গার ছবি দেখেই সন্তুষ্ট থাকুন)।










টুইন টাওয়ার














শপিং মল














বিভাগীয় কার্যালয়ের জমি














২২ তলা ভবন














ভিত্তি প্রস্থর














সাইনবোর্ড














বড়লোকদের জায়গা














৫০ তলা বিল্ডিং মিরপুরে


















৭। আরেকটা পয়েন্ট যেটা মুল পোস্টে দিতে ভুলে গিয়েছি ***






৭। একটি বাংলাদেশী কোম্পানীতে ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ হলে পুরস্কার হিসেবে দেয়া হয় একটা নোয়াহ গাড়ি। কিছুদিন আগে কোম্পানীটির একজন (রাজীব মিত্র) ডায়মন্ড হলে সেলিব্রেশন পার্টির আয়োজন করা হয় চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে। বিশাল আয়োজন। একটি টিভি চ্যানেল (বৈশাখী টিভি) সরাসরি সম্প্রচার করে অনুষ্ঠান টি।






উপস্থিত অতিথির সংখ্যা ছিল ওদের হিসাবমতে প্রায় ২৫ হাজার। প্রত্যোক অতিথিকে টিকিট কেটে ঢুকতে হয়েছিল। টিকিটের দাম কত হতে পারে আন্দাজ করুনতো? ৫০০ টাকা। ৫০০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আরেকজনের সেলিব্রেশনও দেখতে পারেন তথাকথিত এককালের বেকাররা।






আমার কথা হল অতিথি সংখ্যা যদি ২০ হাজার ধরি এবং টিকিট মূল্য ৫০০ হলে মোট আয় হয় এক কোটি টাকা। একটা নোয়াহ গাড়ির দাম কত? ২০ লাখ? অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ কত খরচ হতে পারে? ৩০ লাখ? বাকি ৫০ লাখ টাকা কই গেল?






এরকম ২ নাম্বারি করে প্রতিটা ডায়মন্ডকে একটা নোয়াহ গাড়ি উপহার দেয়া কি কষ্টসাধ্য কিছু?






সবচেয়ে বড় কথা অতিথিদের টিকিটের টাকা দিয়ে আরেকজনকে গাড়ি কিনে দেয়া, অতিথিদের টাকায় আরেকজনের সেলিব্রেশন দেয়া!














সব শেষে বলব, ব্যবসা করবেন বুঝে শুনে বিনিয়োগ করবেন। কোন লোভ করে নয়। কারণ লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।






(আমার বন্ধুদের বেশীরভাগই এখন ব্রেন ওয়াশড। আমাদের সার্কেলে একমাত্র আমিই এখনো এমএলএম করিনা। পোস্টটি সেইসব ব্রেন ওয়াশড বন্ধুদের উৎসর্গ কৃত।)


















সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২০


























































ডেসটিনির ব্যবসায়ীক কুটনীতি যথেষ্টই ঘোলাটে। অধিকাংশই অবোধ্য ঠেকে।




। একটা USA ভিত্তিক কোম্পানীর মিডিল ইস্ট ইনচার্জ এর সাথে দেখা হোল । তারা একটা MLM কোম্পানী করছে http://www.acninc.com/acn/us/ এর আদলে যার এক জন মেজর শেয়ার হোল্ডার Donald Trump (one of world 10 top richest person ) আমাকে দেওয়া তার প্রস্তাবনা নিপ্নরূপ।






ASIA and MIDDEL EAST তারা শুরু করে নাই


#১ টপ ২০ পারসন মাসিক ২০,০০০-৫০,০০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবে।


#২ বিসনেস একাউন্ট এক কালিন ৫০০ ডলার


#৩ প্রতি মাসে ২৫ ডলার দিলে ফ্রি সারা মাস পৃথিবির যে কোন প্রান্তে আনলিমিটেড ভিডিও কল করা যাবে ( জোড়া সেট বিনা মুল্যে দিবে )


#৪ প্রিলোডেড কার্ড বা ব্যাংক আ্যকাওন্টে টাকা রিসিভ করা যাবে ।


আরো ওনেক কথা । জিবনে MLM করি নাই তবে ওর প্রস্তাব সম্ভবনাময় এবং আকর্ষনী্য় মনে হল ।






MLM এ অভিগ্য্ কারো পরামর্শ খুব দরকার ।






আপনার ই মেইল এড এ সরাসরি যোগাযোগে আগ্রহী । আমাকে জবাব দিতে হবে ২০ এ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে ।












লেখক বলেছেন: এটাও পিরামিড ব্যবসা। এটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিনা। গুগলে ACN Mlm fraud লিখে সার্চ করলে প্রচুর লেখা পাবেন।






একটা প্যারা দেখেন।-






The income has two sources: phone/internet bills and new reps.






First source is small. The market is very competitive (many different providers) and the percentage of revenue is small (less than 2% usually). How many customers must you have to earn $100 monthly, if you get 1% or 2% of their phone bills? Do the math. if you have 40 customers, with 30$ monthly bill each, that sums up to $1200 in bills. 2% of it would be $24. Monthly.


Some may say - but there is also income form downline, from levels below, up to the 7th level. Well, theoretically it is. In practice, sometimes it is not. It is no easy to build structure 7 levels deep and maintain it, especially when drop out rate is high. This income is low but residual (if you keep the downline and not let it vanish due to drop out rate)






Second source is big. But it resembles pyramid scheme. This income is high but not residual.






There are also some Customer Acquisition Bonuses (CABs) - if you are on the level of "Executive Team Trainer or higher" - so you need to rise in the organisation first.






To sum up - high recruiting bonuses, small residuals income. The icome thus depends on how many reps you recruit.






Expenses: about $499 (may change in time and be different in different countries) fee to join. Annual renwal fee (about $100-$150). Monthly fees - a few dollars. All is about $230 yearly ($499 more in first year). How many customers do you need to brek even?


















somwhering er post

http://www.somewhereinblog.net/blog/kapurush/29011527

http://www.somewhereinblog.net/blog/ronybest/29128071

সেরা কিছু ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারের তালিকা

সেরা কিছু ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারের তালিকা




আমামা যেসকল সফটওয়্যারের ব্যবহার করি তার বেশীরভাগই পাইরাসি বা ফ্রিওয়্যার। এখানে কিছু ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারের তালিকা দেওয়া হলো।






অফিস






OpenOffice – office suite


PC Suite 602 – office suite


AbiWord – text editor


Atlantis Nova – text editor


Microsoft PowerPoint Viewer – power point files viewer


Adobe Reader – pdf reader


Foxit PDF Reader – pdf reader


PDFCreator – create pdf documents


Doc Convertor – document convertor


Convert – unit convertor


Converber – unit convertor


Sunbird – calendar/organizer


EssentialPIM Free – calendar/organizer


PhraseExpress – speed up your writing


ATnotes – create notes on the desktop






আর্কাইভ ম্যানেজার






7-Zip – compression program


IZArc – compression program


TugZIP – compression program


CabPack – compression program


Universal Extractor – extract files from any type of archive


ইন্টারনেট


Firefox – web browser


Internet Explorer- web browser


Maxthon – web browser


Opera – web browser


Avant Browser – web browser


Thunderbird – email client


PopTray – check for emails


Free Download Manager – download manager


FlashGet – download manager


WellGet – download manager


Download Master – download manager


WGET – commandline download manager


HTTrack – offline browser


WebReaper – offline browser


Yeah Reader – RSS reader


GreatNews – RSS reader


RSSOwl – RSS reader


পেয়ার২পেয়ার


µTorrent – torrent client


Azureus – torrent client


BitComet – torrent client


ABC – torrent client


BitTornado – torrent client


eMule – p2p client


SoulSeek – p2p client


Shareaza – p2p client


DC++ – Direct Connect network client


PeerGuardian – IP blocker


চ্যাট


Miranda – chat client


MSN Messenger – chat client


Yahoo Messenger – chat client


QIP – chat client


Gaim – chat client


JAJC – chat client


HydraIRC – IRC client


Talkative IRC – IRC client


IceChat – IRC client


Skype – VOIP client


Google Talk – VOIP client


VoipStunt – VOIP client


Gizmo – VOIP client


Wengo – VOIP client


নিরাপত্তা


AVG Free – antivirus


Avast Home Free – antivirus


AntiVir PersonalEdition – antivirus


BitDefender Free – antivirus


ClamWin – antivirus


CyberDifender – Internet Security Suite


Ad-aware – anti-spyware


Spybot: Search & Destroy – anti-spyware


Windows Defender – anti-spyware


SpywareBlaster – anti-spyware


Spyware Terminator – anti-spyware


Tootkit Reveaker – rootkit detection utility


Winpooch – system protection


HiJack Free – system protection


HighJackThis – hijackers detector and remover


Kerio Personal Firewall – firewall


Sygate Personal Firewall – firewall


ZoneAlarm – firewall


AxCrypt – file encryption


Simple File Shredder – securely delete files


PuTTy – SSH client


KeePass – password manager


LockNote – password manager


nPassword – password manager


Microsoft Baseline Security Analyzer – identify security misconfigurations


নেটওয়ার্ক


Hamachi – VPN client


RealVNC – remote control


UltraVNC – remote control


Ethereal – local area network administration


The Dude – network administration


Wireshark – network administration


Angry IP Scanner – IP scanner


IP-Tools – IP scanner


Free Port Scanner – IP scanner


NetMeter – network bandwidth monitoring


সার্ভার


FileZilla – FTP client


FileZilla Server – FTP server


EFTP – FTP client/server


XAMPP – integrated server package of Apache, mySQL, PHP and Perl


WAMP – Apache, PHP5 and MySQL server


অডিও


Foobar2000 – audio player


WinAmp – audio player


1by1 – audio player


JetAudio – audio player


XMPlay – audio player


Xion – audio player


Apollo – audio player


MediaMonkey – music organizer


The GodFather – music organizer


dBpowerAMP – audio converter


Audacity – audio converter


WavePad – audio converter


Kristal Audio Engine – audio editor


Exact Audio Copy – CD ripper


Audiograbber – CD ripper


CDex – CD ripper


Mp3 Tag Tools – tag editor


Mp3tag – tag editor


Taggin’ MP3 – tag editor


Monkey’s Audio – APE compressor/decompressor


mpTrim – mp3 editor


WavTrim – wave editor


EncSpot Basic – analyse mp3 files


ভিডিও


Windows Media Player – audio/video player


VLC – video player


Media Player Classic – video player


MV2Player – video player


CrystalPlayer 1.95 – video player


Zoom Player – video player


GOM Player – video player


viPlay – video player


DSPlayer – video player


VirtualDub – video editor


CamStudio – video screen recording


AviSplit – Avi splitter


Video mp3 Extractor – rip audio from video files


Free iPod Converter – convert all popular video formats to iPod video


MediaPortal – turning your PCinto a Media Center


The FilmMachine


ছবি


Gimp – image editor


PhotoFiltre – image editor


Paint.net – image editor


ArtRage – image editor


Artweaver – image editor


IrfanView – image viewer


Picasa – image viewer


XnView – image viewer


FastStone Image Viewer – image viewer


FuturixImager – image viewer


Easy Thumbnails – create thumbnails from images


JoJoThumb – create thumbnails from images


iWebAlbum – create web photo albums


JAlbum – create web photo albums


3D Box Shot Maker – design quality box shot


FastStone Capture – screen capture


WinSnap – screen capture


ত্রিমাত্রিক


Blender3D – 3D renderer


3Delight Free – 3D renderer


SketchUp – 3D modeling


Maya Learning Edition – 3D modeling


ডেভেলপার


AutoIt – task automation


SciTE4AutoIt3 – text editor for AutoIt


AutoHotkey – task automation


PHP Designer – PHP editor


Notepad++ – text editor


ConTEXT Editor – text editor


PSPad – text editor


FoxEditor – text editor


Crimson Editor – source code editor


Elfima Notepad – text editor


Notepad2 – text editor


Nvu – HTML editor


Alleycode – HTML editor


BlockNote – web page editor


Weaverslave – web page editor


ডিক্স (সিডি/ডিভিডি)


DeepBurner – CD/DVD burner


CDBurner XP Pro – CD/DVD burner


BurnAtOnce – CD/DVD burner


Express Burn – CD/DVD burner


Zilla CD-DVD Rip’n’



projuktir shonbad

এক সাথে সকল প্রযুক্তির খবর



ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট ঘাটলে প্রযুক্তি বিষয়ক সকল খবরই পাওয়া যায়। জনপ্রিয় ৪০টিও বেশী সাইটের প্রযুক্তি বিষয়ক খবর এখন মাইক্রো ব্লগিং টুয়িটারে এবং ফেসবুকে একসাথে পাওয়া যাবে। এ২জেড টেক নিউজ নামের টুয়িটারের ঠিকানা হচ্ছে www.twitter.com/a2ztechnews এবং ফেসবুকের ফ্যান পেজের ঠিকানা হচ্ছে www.facebook.com/a2ztechnews। ফেসবুকের ফ্যান পেজের ফ্যান হলে ফেসুবকেই চলে আসবে প্রযুক্তি বিষয়ক সর্বশেষ খবরগুলো। এসব প্রকাশিত খবরের শিরোনামের পরে থাকা লিংকে ক্লিক করেলে উক্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এবং বিস্তারিত খবর পাওয়া যাবে। এছাড়াও টুয়িটার গ্যাজেট ব্যবহার করে নিজের ওয়েব সাইটে তথ্য প্রযুক্তির সর্বশেষ খবর প্রকাশ করা যাবে। আর টুয়িটারের ফেড ব্যবহার করেও ব্রাউজার থেকে এসব খবর পাওয়া যাবে।


ব্লগের পোস্ট ফেসবুকে আনা



বর্তমানে ব্লগিং যেমন জনপ্রিয় তেমনই ফেসবুকও। যারা বিভিন্ন ব্লগ সাইটে ব্লগ লিখেন তারা চাইলে সহজেই তাদের পোস্টগুলোকে ফেসবুকে সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করতে পারেন। ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের একটি ব্লগের তথ্য আপডেট করা সুযোগ দিয়েছে। এই সুবিধা পেতে ফেসবুকে লগইন করে নিচের স্ট্যটাসবার থেকে notes আইকনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি www.facebook.com/notes.php পেজে যান। এখন ডানের Notes Settings অংশে Import a blog » এ ক্লিক করুন। এবার ইমপোর্ট পেজে Web URL: এ ব্লগ সাইটির ঠিকানা লিখে চেক বক্স চেক করে Start Importing বাটনে ক্লিক করলে কিছু পোস্টের প্রিভিউ দেখাবে। এখন নিচের Confirm Import বাটনে ক্লিক করলে সর্বশেষ পোস্ট ফেসবুকে পোস্ট হিসাবে আপপেট হবে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্লগে কোন পোস্ট করলে তা সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে আপডেট হবে। ব্লগ পোস্ট ফেসুবকে আনা বন্ধ করতে চাইলে Notes Settings অংশে Edit Import a blog » এ গিয়ে বন্ধ করা যাবে।


বাংলা সামাজিক ব্লগ সাইট চতুর্মাত্রিক



ইন্টারনেটে বাংলা ওয়েব সাইট দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন আরেকটি বাংলা সামাজিক ব্লগ সাইট চালু হলো। চতুর্মাত্রিক নামের এই ব্লগসাইটে (যে কেউ) রেজিস্ট্রেশন করে ব্লগিং করতে পারবেন। আর রেজিস্ট্রেশন সক্রিয় হবে সম্পাদকদের অনুমোদনের পরে। প্রশাসকদের দাবি সম্পাদকদের কঠোর অনুশাসনে ব্লগটি পরিচালিত হবে। মূলত অনান্য ব্লগের অনাকাঙ্খিত ঘটানা বা ব্লগ ছেড়ে চলে আসা ইত্যাদির কথা মাথায় রেখে কোন ভয় বা ব্লগের নীতিমালার বিরুদ্ধে অবস্থান না করার প্রত্যয়ে ব্লগটি পরিচালিত হবে। আর ব্লগের প্রাণ ব্লগারদের মতামতের মূল্যায়ন করা হবে। ব্লগটির ঠিকানা হচ্ছে
http://www.choturmatrik.com/


ব্লগিং -এ নিজের কথা



মুক্তমনা মানুষদের কাছে ব্লগিং এখন খুবই প্রিয় সাইট। সহজে নিজে ভাবনাকে প্রকাশ করা এবং অন্যের মতামতের উপরে মন্তব্য করার এটাই বর্তমানের সেরা মাধ্যম। বিনামূল্যে যে কেউ এসব ব্লগের সদস্য হতে পারেন। এসব সাইটের নিজস্ব টেমপ্লেট থাকায় ব্যবহারকারী সহজেই নিজস্ব একটি সাইট পেয়ে থাকে। বর্তমানে ব্লগিং এতটাই জনপি্রয় অবস্থানে পৌছে গেছে যে মাইক্রোসফট তাদের অফিস ২০০৭ এর সাথে সরাসরি ব্লগিং লেখা পোষ্টের ব্যবস্থা রেখেছে। এখানে এমনই কিছু ব্লগের ওয়েবসাইট দেওয়া হলো।


http://www.somewhereinblog.net/

http://www.blogger.com/

http://www.wordpress.com/

http://www.spaces.live.com/

http://www.bloglines.com/

http://spaces.live.com/
 http://www.blogs4me.com/

http://www.typepad.com/

http://www.sharepointblogs.com/

http://communityserver.org/

http://www.blogusers.com/

http://edublogs.org/

http://www.soulcast.com/


পাসওয়ার্ড দেখার সফটওয়্যার



বিভিন্ন সফটওয়্যারে বা অনলাইনে আমরা যে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি তা স্টার (*) বা ● হিসাবে দেখা যায়। ফলে আপনার টাইপ করা পাসওয়ার্ডের লেখা (টেক্সট) দেখা যায় না। কোন কারণে আপনি যদি পাসওয়ার্ড দেখতে চান তাহলে পাসওয়ার্ড ভিউয়ার সফটওয়্যারের সাহায্যে দেখতে পারেন। ১১৩ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি http://www.itsamples.com/software/pwv.html সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এবার জিপ ফাইলটি আনজিপ করে PwViewer রান করে হাতের উপরে মাউস ধরে উপরের টারগেটটি যেকোন পাসওয়ার্ডের উপরে নিয়ে গেলে পাসওয়ার্ডটির লেখা (টেক্সট) দেখাবে।

আইকনে ইফেক্টস দেওয়া



আমরা সবসময়ই আইকন ব্যবহার করে থাকি। কোন প্রোগ্রাম খোলার সময় মাউসে দুইবার ক্লিক করে বা নির্বাচন করে এন্টার চেপে খুলে থাকি। এমন সময় যদি উক্ত প্রোগ্রামের আইকনে একটু ইফেক্টস দেওয়া যেত তাহলে কেমন হতো! ইউবারআইকন সফটওয়্যার ইনষ্টল করা থাকলে আপনি এমন সুবিধা পাবেন। ১.৫৩ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি http://ubericon.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এবার প্রোগ্রামটি চালু করুন, তাহলে দেখবেন সিস্টেমট্রেতে এর আইকন দেখা যাবে। এবার ডেস্কটপ, ড্রাইভ বা ফোল্ডারের যেকোন আইকনে মাউস দ্বারা দুইবার ক্লিক করে খুলুন এবং দেখুন একধরনের ইফেক্টস হচ্ছে। আপনি ইফেক্টস পরিবর্তন করতে চাইলে সিস্টেমট্রের ইউবারআইকনের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে মেনু থেকে প্লাগইন্সে গিয়ে পছন্দমত ইফেক্টস নির্বাচন করুন,যার উপরে সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। প্রোগ্রামে ফোল্ডারের প্লাগইন্স ফোল্ডারে প্লাগইন্সের সোর্সকোড পাবেন যা আপনি পরিবর্তন বা এরূপ নতুন আরেকটি তৈরী করতে পারবেন। আপনি যদি প্রোগ্রামটি উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় চালু করতে চান তাহলে মেনু থেকে Run at Startup এ ক্লিক করুন। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে সফটওয়্যারটি বাংলা ভাষাতে রয়েছে। বাংলাতে পেতে মেনু থেকে Language এ গিয়ে বাংলা নির্বাচন করুন।


ফ্রি এবং ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারের ওয়েবসাইট




কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোর বেশীর ভাগই বিনামূল্যে সংগ্রহ করা। ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে অথবা বাজারে পাওয়া সস্তা সিডি কিনে এসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এসব সফটওয়্যারের মধ্যে থাকে ফ্রি এবং ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার। ফ্রিওয়্যার হচ্ছে সেসকল সফটওয়্যার যেগুলো বিনামূল্যে অনলাইন বা অন্য কোন যায়গা থেকে পাওয়া যায়। এই সফটওয়্যার তৈরীকৃত কোম্পানীর কপিরাইটের অধিকৃত থাকে। কপিরাইট আইন অনুযায়ী এই সফটওয়্যার কেউ বিক্রি বা পরিবর্তন করতে পারবে না। কিন্তু ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহারকারী তার ইচ্ছামত কপি, বিতরণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা উন্নতি করতে পারবেন। তারমানে এতে পাইরেসির নাম গন্ধও নেই। আর এসব ফ্রি এবং ফ্রিওয়্যারগুলোর মধ্যে বেশী জরুরী সফটওয়্যারগুলোর রিভিউ এবং ডাউনলোড লিংক পাওয়া যাবে www.freeandfreeware.blogspot.com সাইটে।











collected by : kazi ashraful islam


ছোটগল্প




                        নিসর্গের আলোছায়া
                                               সালেহা সুলতানা











চওড়া রাস্তার দু’পাশ ধরে বিশাল-বিশাল বাড়ি। জাহাজ-সদৃশ অবয়ব নিয়ে বাড়িগুলো দাঁড়িয়ে। বাড়িগুলোর নিচে জলের অস্তিত্ব কল্পনা করলে ওগুলো জাহাজই মনে হবে। গভীর সমুদ্রে ভাসমান জাহাজগুলোয় আলো জ্বলছে। সর্বাংশ আলোকিত নয়; কিয়দংশ অন্ধকারাচ্ছন্নও। ফলত আলো-আঁধারের রহস্যময়তা খেলা করছে।






উপরে রাতের আকাশ- অসীম ও নিস্তব্ধ। জাহাজগুলোর মাথা বেয়ে জল থেকে উঠে আসছে বড় আকৃতির ভৌতিক চাঁদ। চাঁদের তেজে তারাগুলো নিষ্প্রভ। অথচ একটু আগে তারাগুলোই জ্বলজ্বল করে জ্বলছিল। আর এখন জোছনা আর জলের সমাকীর্ণতায় উন্মেষিত নতুন প্রণয়।






সেখানে জল-জোছনার মাখামাখিতে তুচ্ছ ও গৌণ অন্যান্য অনুষঙ্গ। দূরে তীরের অস্তিত্ব অনুভব করতে চায় মন; কিন্তু জাহাজগুলো এত লাগোয়াভাবে দাঁড়িয়ে যে, এর ফাঁক গলিয়ে দৃষ্টিকে অতি-দূর প্রসারিত করা যায় না। শেষতক দৃষ্টি ওই চাঁদের মধ্যেই আটকে থাকে।






জলের ছলাৎ-ছলাৎ শব্দ দূরযাত্রার ভ্রমণ আনন্দকে জাগরিত করে। তবুও আকাশ-সমুদ্রের প্রান্তরেখা দেখার বাসনাকে মাটিচাপা দেওয়া যায় না। ইচ্ছাটা জেগে থাকে ওই চাঁদের মতোই, যা কিনা মেঝের আড়ালেও ঢাকা পড়ে না। জাহাজের স্থিরতাকে একসময় অসহনীয় মনে হয়।






কখন যে জাহাজটা দূর- আরও দূর সীমায় হারিয়ে যাবে; তার অপেক্ষায় অধীর হয় মন। উপরে সীমাহীন আকাশ, নিচে পাতাল-তলের জল- দুয়ের মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে মহাকালের বিরাট-বিপুল অস্তিত্বের মধ্যে ক্ষুদ্রতম এই প্রাণকে উপলব্ধি করে বিস্ময়াভিভূত হয়ে পড়ে পুষ্প;- জাহাজের ডেকে দাঁড়িয়ে বাতাসের নিঃশ্বাস শোনে।






বাতাসের হাত কি তাকে জড়িয়ে ধরেছে? পেছন থেকে জড়িয়ে ধরার অনুভব অস্তিত্ব পায়। ভীষণ একটা ঘোর থেকে জেগে ওঠে পুষ্প। তার সামনে দৃশ্যমান জাহাজ-সমুদ্র-চাঁদ সব মুছে গিয়ে প্রকটভাবে জেগে থাকে ইট-কংক্রিটের অবয়ব আর চিতানো রাস্তাটা।






সেখানে মুহূর্তে-মুহূর্তে ঘটছে সঙ্গম; যানবাহনের সঙ্গে ওই চিতানো রাস্তার। পুষ্প হাত স্পর্শ করে। তমাল ওকে জড়িয়ে ধরেছে। প্রশস্ত বারান্দার কল্পিত দৃশ্যপট থেকে তমাল পুষ্পকে নিয়ে যায় রাত্রির মতো স্নিগ্ধ অন্ধকারের রহস্যময়তায়। যেখানে ওরা জোছনা ও জলের মতোই মাখামাখিময়।






কিংবা চওড়া বাসাটা এক স্রোতস্বিনী পায়রা নদী। বিশাল-বিশাল বাড়ি নদীর দু’পাড়ে দণ্ডায়মাণ বৃক্ষ। সজীবতায় ছুঁয়ে থাকে নদীর দু’কূল। বাতাসের মৃদু দোলায় বৃক্ষশাখা দোলে। ক্ষণিক থেমে আবারও দোলে। নিবিড় হূদ্যতায় বৃক্ষ-বাতাস কথা কয়। পাখির বিচিত্র কোলাহল শৈশব-প্রাঙ্গণকে জাগিয়ে তোলে।






ফিঙ্গে-দোয়েল আর শালিক পাখির লুটোপুটি খেলা চলে অবিরাম। নদীর নিচে লতা-গুল্মে বারবার ফিরে আসছে লাল ফড়িং। ফড়িংয়ের স্থিরতা মনঃপুত হয় না। বরং স্থানবদল করে নতুন-নতুন লতাকে নির্বাচিত করছে। পায়রা নদীর গহীন গম্ভীর জলে বাতাস উদোম গায়ে ছুটে বেড়ায়।






বাতাসের শরীর পুষ্পের শরীরে জাপটে থাকে। পুষ্প খিলখিল করে হেসে ওঠে। ওর হাসির সুর-লহরি পায়রা নদীর ঢেউয়ে ডুবে-ডুবে যায়। অবিশ্বাস্য গতিতে ভাবনাগুলো রূপ নেয়। পায়রা নদীর উদোম-বাতাসকে পরাজিত করে তমাল পুষ্পকে জয় করে জাপটে থাকার নেশায়।






নদীর ওপর লঞ্চ থেকে তুলে এনে ওকে যেন নতুন আরেকটি লঞ্চে সওয়ার করল তমাল। তবুও তো নদীর বুকে বাতাস ছিল, সবুজ ছিল, ছিল ঢেউয়ের দোলা; এখানে সব, সবকিছু অন্যরকম, যেন অভিশপ্ত কোনও স্থান। কাঠিন্যের শব্দময়তায় বাতাসেরা শ্বাস নেয়, দৃষ্টির সজীবতা পাথুরে-মালিন্যে জমাট বাঁধে।






চাঁদের আলো আকাশ থেকে স্বপ্নডানা মেলে নেমে এলেও এখানে সে-আলো স্নিগ্ধতা হারিয়ে কৃত্রিমতায় লুপ্ত হয়। উদ্বুদ্ধ-কল্পনার জন্ম-রহিত হয় নির্জীব-সত্তার জৌলুসহীন প্রাচীরের নিয়ন্ত্রণে। কিংবা চারপাশের অবিরত মুখগুলোও শূন্যতার প্রসাধনীতে ঘুরে বেড়ায়। মৃতপুরীর মতো অচেনা মানুষগুলোকে দুর্বোধ্য ঠেকে।






নিঃশ্বাস নেওয়ার আকুলতায় পুষ্প হাতড়ে বেড়ায় মনের গহীনে নিঝুম এক দ্বীপকে অথবা পায়রা নদীর জনপদকে- যেখানে পুষ্পের বাড়ি। পুষ্প ঘর থেকে বাইরের উঠোনে দৌড়ে নেমে আসে। নেমে এসে শব্দের উৎস জেনে মাটিতে পা দিয়ে দপ্ দপ্ শব্দ করে। ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাকে কানে তালা লেগে যাচ্ছে।






কিছুক্ষণ থেমে থাকে ওরা। কানটা শান্ত হওয়ায় স্বস্তি পায় পুষ্প। পুনরায় পড়ার টেবিলে যাওয়ার ইচ্ছাটা মরে যায় ফুলের গন্ধে আর চাঁদের আলোয়। উঠানে হেঁটে বেড়ায় পুষ্প। সামনের ধানক্ষেতটা বাতাসে নুয়ে-নুয়ে যাচ্ছে। দূর থেকে ভেসে আসছে পূজা উপলক্ষে মাইকে বাজানো গান।






আবছা আলোয় ভুতুড়ে খড়ের গাদাগুলোর উপরে কলাবাদুড়ের নিঃশব্দ যাত্রা আকাশপথে। পুষ্প ঘুরে বেড়ায়। প্রকৃতির মাঝে আলো-আঁধারের সান্ধ্যভাষা রূপময় হয়ে উঠেছে। সবুজ ঘাসের ওপর পা ছড়িয়ে বসে পড়ে পুষ্প। ঘাসের শীতলতায় মনের গ্রন্থিগুলো খুলে পড়ে। প্রকৃতি তার বিবসন-রূপ খুলে দেয়।






উঠানজুড়ে চাঁদের আলোয় গাছের আল্পনা। বসন্তের বাতাস আমের মুকুলের গন্ধে মাদকতায় আচ্ছন্ন। পুষ্পের মনে হয়, সে কোনও এক আদিম অরণ্যচারী মানুষ- প্রকৃতির পাঠ গ্রহণ করছে। কিংবা শবরী বালিকার প্রাচীনতায় সমর্পিত- ‘একেলী সবরী এ বন হিণ্ডই কর্ণকুণ্ডল বজ্রধারী’। জোছনা পাকা কঙ্গুচিনা মদের নেশা ঝরায়।






পুষ্প নেশায় বুঁদ হয়ে নিজেকে প্রকৃতির মাঝে তিল-তিল করে ছড়িয়ে দেয়। পুষ্প ও প্রকৃতি ক্রমশ একীভূত-সত্তায় একাকার হয়ে যায়। কঙ্গুচিনা মদের মাদকতায় পেয়ে বসে তমালকে। পুষ্প উন্মত্ত হতে পারে না।






এখানে নেই মুকুলিত তরু, গহীন গম্ভীর স্রোতস্বিনী, জোছনা-বাটিকার কাপাশ ফুল- উন্মত্তের রসদহারা এই বিবর্ণতায় আত্না জাগরিত হয় না। দেহ-মনকে খুঁজে পায় না। যান্ত্রিকতায় নিহিত শৈল্পিক-সত্তা। এই যান্ত্রিক নিষ্পেষণে নিমজ্জিত হতে-হতে পুষ্পের অন্তরাত্না কেঁদে ওঠে।






একটা সরকারি চাকরির সুবাদে তমাল জীবিকার আশ্রয়ে উপনীত হয় বরিশালে। আজন্ম ঢাকার জল-হাওয়ায় বর্ধিত মানসে শ্যামলিমার আস্তরণ পড়েনি কখনও। চাকরির মধ্যস্থতায় দেখা হয় ধানসিড়ি নদী, চাখার, হাওড়-বিল; জালের মতো বিন্যস্ত জলাশয়গুলোয় প্রতিবিম্বিত আকাশ-বনভূমির রূপ দেখে দেখে প্রকৃতির প্রেমে পড়ে যায় তমাল।






বইয়ে পড়া প্রকৃতির মুখস্থ রূপ যেন বরিশালের মাঠে সশরীরে হাজির। শ্যামলিমার নরম-হাত তমালকে আচ্ছন্ন করে। তমাল অবশ ও বিবসিত হতে থাকে প্রকৃতির ঐশ্বর্যে। এরই মাঝে কুয়াকাটা যাওয়ার আয়োজন চলে।






পৃথিবীর বুকে অন্যতম একটি স্থান কুয়াকাটা- যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত একই সঙ্গে দেখার সুযোগ মেলে। এই দুর্লভ মুহূর্ত দেখার ইচ্ছা নিয়ে ওরা কয়েকজন মিলে রওয়ানা হয়। তবে ইচ্ছাটার রূপ দিতে রাস্তার ধকলও সইতে হয় অনেক। সঙ্গী যারা, তাদের অনেকেই পাড়াগাঁ আর মফস্বলের মানুষ।






ওদের জন্য এই কষ্ট সহনীয়। তমাল অনভ্যস্ত বলেই ওর বিরক্তিটাও বেশি। গাড়ি একসময় ফেরিঘাটে পৌঁছে। পায়রা নদীর ঘাট। নদীর নামটা যেমন সুন্দর, তেমনি এর জলের স্বচ্ছতাও চোখকাড়া। তমাল মুগ্ধ হয়। আরও মুগ্ধ হয় কলাপাতা রঙের সালোয়ার-কামিজ পরা এক যুবতীকে দেখে।






মেয়েটি এমন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে যে, চোখ ফেরানো যায় না। হয়তো চোখ ফেরালেই বিপদ ঘটে যাবে। ফেরির একদম কিনার ঘেঁষে মেয়েটি দাঁড়িয়ে। তমালের মনে ভয় হয়, মেয়েটি হয়তো এক্ষণি নদীতে পড়ে এক খণ্ড পাথরের মতো ডুবে যাবে। দু’হাতে বাতাস ছানছে মেয়েটি। তমাল সইতে না পেরে দ্রুত দৌড়ে আসে।






হ্যাঁচকা টানে সরিয়ে আনে মেয়েটিকে। রাগ না সামলিয়ে ধমকে ওঠে- এই মেয়ে, তুমি এভাবে দাঁড়িয়েছ কেন? মরতে সাধ হয়েছে? মেয়েটি হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় মূল বিষয়টি দ্রবীভূত হতে সময় নেয়। ঘোর ভাঙতেই বলে- আপনি এত ভয় পেয়েছেন কেন? আমি তো রোজই এভাবে ফেরি পার হই।






কী দুঃসাহসী মেয়ে, তমাল মনে-মনে ক্ষিপ্ত হয়। কথায়-কথায় জমে ওঠে ওদের আলাপ। সূর্য তখন মাঝপথ থেকে অনেকটা হেলে এসেছে পশ্চিমে। সূর্য-কিরণের প্রখরতা হ্রাস পেয়ে এখন অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে। একটু পরই অন্যরকম এক স্নিগ্ধতার প্রলেপে জড়াবে পৃথিবী।






পুষ্প আর তমাল সেই চিরন্তন আবেশেই পথ চলতে থাকে। পুষ্প স্নাতক পর্যায়ে পাঠ সমাপ্ত করে বরিশালের একটি কলেজে। শহরে যেতে হলে তাকে ফেরি পার হতে হয়। কেবল বিদ্যার্জনের জন্য শহরে যাতায়াত। গ্রামই তার প্রিয়। পরিপাটি ও নিরিবিলি গ্রাম-মায়ের কোলের মতোই স্নিগ্ধ ও শান্তিময়।






পুষ্পের বাড়িতে টিনের দোতলা ঘর। বাড়ির চারপাশে তাল-সুপারির বন। সুপারি গাছের কাণ্ড গর্ভবতীর মতো পেট ফুলিয়ে সারি-সারি দাঁড়িয়ে। ক’দিন পরই দেখা যাবে পেট ঝরিয়ে বেরিয়ে এসেছে ধবধবে পরিষ্কার ফুলের গোছা। ফুল থেকে একটা পাগল করা বনজ-সৌরভ ছড়িয়ে পড়বে বাতাসে।






সুপারি গাছের ওপারে দূরে ধানকাটা শেষে নিঃসঙ্গ মাঠ পড়ে আছে। সেখানে শালিক পাখিদের কিচিরমিচির। নিঃসঙ্গতায় এই কিচিরমিচির ও কোলাহলের সুখ পোহায়ে নিচ্ছে মাঠ। পুষ্প নিসর্গের মাঝে ডুবে থেকে কেবল নিসর্গের ভাষাই চেনে। চেনে না শব্দ-কোলাহলমুখর জনপদ, যন্ত্রায়ণের প্রলম্বিত শ্বাসাঘাত।






এসব অভ্যস্ততায় সমর্পিত তবুও তমালকে ভালবেসে শহুরে হওয়ার প্রাণান্ত চেষ্টায় জিইয়ে রাখে নিজেকে। তমালের লম্বাটে খুপরির মতো বাড়িতে এসে পুষ্প যেন বন্দি পাখির মতো চারদেয়ালে বারবার ঠোকর খায়। ঘুরে-ফিরে কয়েকটি কক্ষ আর লাগোয়া দরজা। বেল বারান্দায় এসে দাঁড়ালে একটু স্বস্তি মেলে।






আর তখনই সামনের দৃশ্যগুলো হয়ে ওঠে কল্পিত বনভূমি, নদী, সমুদ্র। নিসর্গের মাঝে ডুবে থেকে ভুলে যায় শহর, কোলাহল আর হর্নের চিৎকার। বারবার ফিরে আসে পায়রা নদী, নদীতীরবর্তী গ্রাম, জনপদ, পরিচিত মুখ, পরিচিত উঠান, পুকুর, ধানক্ষেত এমনকী গ্রামের ওপর দিনের বেলায় জেগে-ওঠা আকাশের মরা চাঁদকেও।






পুষ্পের অস্বস্তি লাগে এখানকার বাড়িগুলো দেখে। এখানে নিঃশ্বাস ফেলার জায়গার বড় অভাব। রাস্তার পেট ঘেঁষে দাঁড়ানো বাড়িগুলোয় ঢোকার পর কোনও অবসর পাওয়া যায় না বা অবসর না দিয়েই সিঁড়িভাঙা ক্লান্তিকর কাজে নিয়োজিত হতে হয়। নেই বাগান, গাছগাছালির মায়া।






এক চিলতে উঠানও নেই, যেখানে চাঁদের আলো শান্তিতে লুটিয়ে পড়তে পারে। সবকিছু এত সংক্ষিপ্ত ও সংকীর্ণ যে, মনের বিস্তার ঘটানো যায় না। এখানকার মনগুলোও বনসাই গাছের মতো ক্ষুদ্রতায় আটকে থাকে। পুষ্প তমালকে দেখে। ঝঁপা চকচক নগরের আঁচে বড় হওয়া তমালের মগজে স্মৃতি হয়ে আছে চাকচিক্যের বীজ।






চাকরি ছেড়ে চাকচিক্যের বৃত্তিতেই আগ্রহী হয়েছে তমাল- শেয়ার বিজনেস, এ্যাপার্টমেন্ট বিজনেসসহ নানা কারবারে ব্যাপৃত তমাল বৈষয়িক স্ফীতিকেই জীবন জানে। বিশ্বায়নের ঘোলাজলে মাছশিকারিদের দলে ভিড়ে গিয়ে তথাকথিত উচ্চধাপে ওঠার প্রতিযোগিতায় শশব্যস্ত থাকে।






নিচের দিকে তাকিয়ে নিজের দেশ, নিজের সমাজ এমনকী নিজকে দেখারও ফুরসত মেলে না। পুষ্প উপলব্ধি করে, তমাল আর আগের মতো নেই, যেমন ছিল বরিশালে।


প্রকৃতি হয়তো তাকে শুশ্রূষা করে খানিক দিনের জন্য বদলে দিয়েছিল। বরিশাল ছেড়ে ঢাকায় এসে পুনরায় আগের খোলসে ফিরে এসেছে।






পুষ্প বোঝে, এটাই তমালের প্রকৃত রূপ। তমাল এখন পুষ্পর কাছ থেকে যা চায়, তা দস্যুর মতোই লুটে নেয়, সেখানে থাকে না প্রেমিকের মতো প্রার্থনা বা আর্তি।


পুষ্পকে আমূল পরিবর্তনে নিরন্তর প্রয়াস চালায় তমাল।






দিঘল চুল আর আঁচল টানা শাড়ি এসব ব্যাকডেটেড পন্থায় বিরক্তি ঝাড়ে তমাল- “নিজেকে অ্যাট্রাক্টিভ করে গড়ে তোলো। এসব ফাংশনে-পার্টিতে তোমাকে বেমানান লাগে।” পুষ্প এসব ইঁদুরদৌড়ে যেতে চায় না। ওর নিজস্বতাই ওর সৌন্দর্য। তমাল সেটার মূল্যায়নে অপারগ। সেই মনন-হূদয় তমাল অর্জন করতে পারেনি।






পুষ্প থিতিয়ে পড়ে। তমালকে দেখে। একেবারেই অচেনা। এই শহরের আর অন্যসব মানুষের মতো। মধ্যাহ্নের যে-সূর্য তার উত্তপ্ত কিরণে নদীর জলকে বাষ্প করে কাছে টেনে নেয়, সেই একই সূর্য সামান্য সময়ের ব্যবধানে সে-শক্তি হারায়। তমালও কি তেমনি পুষ্পকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?






পুষ্প তো এমনি রুক্ষ্ম চরে আটকেপড়া কোনও লঞ্চের সওয়ারি হতে চায়নি, তমালই তাকে ভালবাসার সেতু পার করে এখানে নিয়ে এসেছিল। কোথায় সেই ভালবাসা? প্রকৃতির কাছে যা সহজলভ্য, নাগরিক ক্লেদজ-বৈকল্যে তা দুর্লভ। অপমানের অতিশয্যে খণ্ডিত জীবন নিয়ে পুষ্প পড়ে থাকতে চায় না এই শহরে।






তার আদিম প্রকৃতিই তার কাছে অনেক সহজ। যেখানে মানুষ নিজেকে বদলে ফেলে না- আদি ও অকৃত্রিম থাকে আজীবন। পুষ্প মৃত্তিকার ঘ্রাণ নিয়ে মৃত্তিকার ওপর দু’পায়ে দাঁড়াতে চায়। যেখানে পা মেলে দাঁড়ানোর মতো সামান্য মাটি নেই, চোখ মেলে তাকানোর জন্য গুচ্ছ ঘাসের সজীবতা নেই, সেখানে পুষ্পের দুর্ভিক্ষপীড়িত মন বাঁচতে পারে না। এই কাঠিন্য আর রুক্ষ্মতাকে ত্যাগ করে পুষ্প প্রকৃতির আশ্রয়ে নিঃশ্বাস নিতে চায়।






আদিম কোনও গুহাচারী মানুষ কিংবা শর্বরী বালিকার মতো উঁচু পর্বত গাত্রে মনের আনন্দে যাপিত জীবনে ফিরে যেতে চায়। হতে চায় শবরপা রচিত সেই বালিকার মতো- উষ্ণা উষ্ণা পাবত তহি বসই সবরী বালি/ মোরঙ্গ পাচ্ছি পরিহান সবরী গীবত গুঞ্জরি মালী।