kazi ashraful islam

kazi ashraful islam
Showing posts with label collecting news. Show all posts
Showing posts with label collecting news. Show all posts

Wednesday, February 22, 2012

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বব্যাংকের প্রধান মনোনীত করতে হাসিনার অনুরোধ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ড. মুহাম্মদ ইউনূস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ড. মুহাম্মদ ইউনূস

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বব্যাংকের প্রধান মনোনীত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফররত ইইউ পার্লামেন্টের সদস্য জিন ল্যামবার্ট আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাত্ করতে গেলে তিনি এ অনুরোধ জানান।
বৈঠক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অসাধারণ অবদানের জন্য মুহাম্মদ ইউনূস সারা বিশ্বে নন্দিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংস্থাটির কার্যক্রমের প্রসার ঘটাতে তাঁর এই অভিজ্ঞতা বিশ্বব্যাংকের জন্য মূল্যবান সম্পদ হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাসীর কল্যাণের জন্য মুহাম্মদ ইউনূসকে যাতে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় সে জন্য ইইউ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করতে পারে। গ্রামীণব্যাংকের মতো বড় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিজ্ঞতা ইউনূসের আছে। বিশ্বব্যাপী এসব প্রতিষ্ঠানের সুনাম রয়েছে।
বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এপ্রিলের মধ্যে তারা একজন নতুন প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেবে। আর বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রধান রবার্ট জোয়েলিক এই পদের জন্য আর লড়বেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এই পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া মেধার ভিত্তিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হবে। ২৩ মার্চের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে হবে। তার ভিত্তিতে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাত্কার নেওয়া হবে।

Tuesday, February 21, 2012

পাকিস্তানি ক্রিকেটাররাও শ্রদ্ধা জানালেন শহীদদের

শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ

শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ

চট্টগ্রামে শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ক্রিকেটাররা। শহীদ মিনারে দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের ভিড়ে সবচেয়ে বেশি নজরে পড়েছে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের উপস্থিতি।
পুলিশ-র্যাবের কড়া পাহারায় বেলা ১১টার দিকে বিপিএলের দলগুলোর মধ্যে প্রথম শহীদ মিনারে উপস্থিত হয় দুরন্ত রাজশাহী। এর আধ ঘণ্টা পর একে একে সবগুলো দল এবং বিসিবি কর্মকর্তারা শহীদ মিনারে ভিড় করেন।
বিদেশিদের শ্রদ্ধা জানাতে দেখে আপ্লুত হন উপস্থিত সাধারণ লোকজন। কেউ কেউ নিজের মোবাইল ফোনে কিংবা ক্যামেরায় পরিচিত ক্রিকেটারদের ছবি ধারণের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন। পুলকিত হন বিদেশি ক্রিকেটাররাও। শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর জিম্বাবুয়ের শন অরভিন বলেই ফেললেন, ‘এটা একটা ভালো অনুভূতি। এত মানুষ, এত ফুল। এভাবে মাতৃভাষাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসছে তাঁরা। আমি মুগ্ধ।’
শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে আসা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন খালেদ লতিফ, ইমরান নাজির, ফাওয়াদ আলম ও আহমেদ শেহজাদ। তবে ‘স্পর্শকাতর’ বলেই হয়তো এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হলেন না তাঁদের কেউই।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ হোসেন শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বলেন, ‘আমরা দলগুলোকে প্রস্তাব করেছিলাম। তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে এসেছে। ক্রিকেটাররাও নিজেদের ইচ্ছায় এসেছেন। এখানে আসার পর মাতৃভাষা বাংলা নিয়ে কিংবা দিবসটি নিয়ে তাঁদের শ্রদ্ধা আরও বাড়বে বলে আমরা মনে করি। বিষয়টা তাঁরা উপলব্ধি করবেন। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররাও বিষয়টা অনুধাবন করছেন বলে আমার বিশ্বাস। তবে সেটা তাঁরা ভালো বলতে পারবেন।’

Friday, February 17, 2012

ব্লেকের কথায় বাংলাদেশ চলে না: সুরঞ্জিত

রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘ব্লেক সাহেবের কথায় বাংলাদেশ চলে না। ব্লেক সাহেবদের কথায় যদি বাংলাদেশ চলত, তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। বাংলাদেশ চলে বাংলাদেশের কথায়। বাংলাদেশের জনগণের কথায়।’
আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এসব কথা বলেন।
রবার্ট ব্লেক দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
রেলমন্ত্রী বলেন, বিএনপি দাবি করেছে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। অন্যদিকে, ব্লেক সাহেব বলেছেন এ বিষয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে। সুরঞ্জিত বলেন, ‘কত ব্লেক আইছে-গেছে। ব্লেক সাহেবদের কথায় কোনো দিন নীতিনির্ধারণ হয়নি। এটি একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। এ দেশের বিরোধীদলীয় নেত্রীকে আহ্বান করব তিনি সরকারকে ল্যাংড়া-লুলা বানানোর অভিশাপ না দিয়ে তাঁর দলকে একটি সুস্থ, সংস্কৃতিবান ও সাংবিধানিক দলে পরিণত করুন। তাহলে গণতন্ত্র এগিয়ে যাবে।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে দুই নেত্রীর সমঝোতার বিষয়ে ব্লেকের বক্তব্যের সূত্র ধরে সুরঞ্জিত বলেন, ‘সংলাপ তো আর শর্ত দিয়ে হয় না। বিএনপি যদি আগেই শর্ত দেয়, তাহলে তারা সংলাপ চায় না। তারা চায় তাদের দাবি জবরদস্তি করে পাস করতে।’ তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র সমঝোতার বিষয়। গণতন্ত্র তো ট্রেড ইউনিয়ন নয়। মূল কথা হচ্ছে গণতন্ত্রের সাসটেইনেবিলিটি।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিরোধী দলের দাবি ও সরকারের অবস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্র করবেন, সংসদকে ফাংশন করতে দেবেন না, সংসদকে অকার্যকর করবেন, অনবরত বয়কট করবেন, তারপর বলবেন যে আমাকে আমার খুশিমতো নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকার দিতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে হবে, দিতে হবে না, আমরা কোনোটাই বলিনি।’ সুপ্রিমকোর্ট বলেছে যে, ‘একই সঙ্গে নির্বাচিত সরকার ও অনির্বাচিত সরকার চলে না। সুতরাং এটা অসাংবিধানিক, আলট্রা ভায়োলেট টু দ্য কনস্টিটিউশন। তারপর তারা এও বলেছে যে যদি প্রয়োজন হয়, তবে সংসদ আরও দুই টার্ম দিতে পারে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টকে রাখা যাবে না।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে সংশোধনীকালে তত্কালীন বিএনপির অবস্থানের বিষয়ে সুরঞ্জিত বলেন, ‘তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে মিডনাইট ল করেছিল, সেখানে মূলতত্ত্বই ছিল সুপ্রিম কোর্টকে ঘিরে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, অতীত-বর্তমান-নিকট ভবিষ্যত্ এবং আপিল বিভাগ সবাইকে নিয়ে। তারা যদি না থাকে তাহলে কি এত নাটক হয়? সে ক্ষেত্রে আমরা বলেছি, আপনারা কমিটিতে আসেন। আমরা আশা করেছিলাম তারা সংসদে আসবে কিন্তু আসেনি। এখন আমরা বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে গেছি। আমরা একটা শব্দ, দাঁড়ি-কমাও পরিবর্তন করিনি। যা ছিল বাহাত্তরে সেই অনুযায়ী ’৭৩-এ নির্বাচন হয়েছে, এখন তা-ই আছে।’
বিএনপির গ্রহণযোগ্য ফর্মুলা থাকলে তা সংসদে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদে তারা নির্বাচিত হয়েছে, তারা যেহেতু মেন্ডেইটেড, সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত অধিকার রয়েছে। তারা সব সময় সেখানে আসতে পারেন।’
এ ক্ষেত্রে বিএনপির অসহযোগিতার বিষয়ে সুরঞ্জিত বলেন, যেকোনো প্রস্তাব যদি তারা দেয়, ‘আমরা বলেছি আমরা আলোচনা করব। সংসদের বাইরের কমিটি কি তাদের ডাকেনি? তারা এসেছে? আসেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান রচনাতেই যদি তারা অংশগ্রহণ না করে তাহলে আমার সংশয় হয় তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা আগে বলুক, তারা সংবিধানে বিশ্বাসী, সংসদীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।’
সুরঞ্জিত বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একদিন আন্দোলন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এনেছিল। ক্রিকেটে যেমন রানার দিয়ে খেলা যায়, পরীক্ষায় যেমন নকল করা যায়—আন্দোলনে এসব চলে না। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের ধারা-ই আন্দোলন করবে। বিএনপি ষড়যন্ত্রে সুন্দর, আন্দোলনে নয়।’
এ জট কীভাবে খুলবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সুরঞ্জিত বলেন,
‘কোনো জট নাই। সংবিধান আছে দেশে। তার পরও যদি তাদের কোনো কথা থাকে, তাহলে বলেছি গণতন্ত্রের স্বার্থে আলোচনা হবে। নেত্রী বলেছেন, আমরা সংবিধান সংশোধন করতে রাজি আছি; তারা কি করতে রাজি আছেন?’
জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত পুনর্মিলনীতে হলের সাবেক শিক্ষার্থীরা সপরিবারে অংশ নেন। দিনভর নানা আয়োজনে টিএসসি ছিল উত্সব মুখর। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কানুতোষ মজুমদারের সভাপতিত্বে আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ মীজানুর রহমান, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অজয় কুমার দাস প্রমুখ।

পাঠকের মন্তব্য



সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন

zahir

zahir

২০১২.০২.১৭ ১৪:৫৭
দেশের জনগনের কথায় যদি দেশ চলে তাহর জনমত উপেক্ষা করে কেন তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করলেন ? দেশে এখন মানুষ জবাই করে হত্যা করা হচ্ছে !! জনগন গুম হচ্ছে গুপ্ত হত্যা হচ্ছে তা কি জনগনই করতেছে ? কোন জবাব দিতে পারবেন না কারন এই সরকারই দায়ি এর জন্য। জনগনের মতামত নিয় কোন জিনিস করেছেন আপনারা !!!যা কিছুই করেছেন গায়ের জোরে করেছেন। কথায় আছে এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে !! সুতরাং এ কথাটি মনে রেখে সকল সরকারকে দেশ চালানো উচিত। জোর করে ভাত সিদ্ধ করা যায় না। দেশের জনগন গনতন্র বুঝে কিন্তু আপনার আপনাদের সরকার বুঝে না। বুঝে শুধু জোর জুলুম আর অত্যাচার। জনগন তত্তাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন চায়। কেন গায়ের জোরে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে চান কোন স্বার্থে ?? দায়া করে তা জনগনকে একটু জানাবেন নিরপক্ষমনে।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০২.১৭ ১৫:০১
রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, বাংলাদেশ চলে বাংলাদেশের জনগণের কথায় । খুব ভালো কথা ।গুপ্ত মহাশয় নিশচয় জানেন কেয়ার টেকার বা নির্দলীয় সরকার জনতার দাবীতে পরিনত হয়েছে । এবার তাহলে জনগণের কথামত কেয়ার টেকার সরকার করে প্রমান করুন "বাংলাদেশ চলে বাংলাদেশের জনগণের কথায়" ।

muhammad helal uddin

muhammad helal uddin

২০১২.০২.১৭ ১৫:০২
আমরাও চাইনা ব্লেক বা অন্য কারো কথায় বাংলাদেশ চলুক , আমরা চাই বাংলাদেশ চলবে নীতি - নৈতিকতা মেনে বাংলাদেশের মানুষের কথায় , কারন এ দেশের মালিক এ'র জনগণ । কিন্তু জনগনের দোহাই দিয়ে সবাই জনগনের সাথে প্রতারণা করে , আমরা এ অবস্থারও অবসান চাই ।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০২.১৭ ১৫:৩৬
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ভুলে যাওয়া উচিত নয়, কারো খুশীমতো সংসদে ৪-৫ মিনিটে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকার বাতিল করা দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় । যারা তও্বাবধায়ক সরকার ব্যবসহা বাতিল করেছে তাদেরই গ্রহণযোগ্য ফর্মুলা সংসদে বলতে হবে এমনটিই মানুষ মনে করে ।

২০১২.০২.১৭ ১৫:৪৯
বাংলাদেশ চলে বাংলাদেশের জনগণের কথায়.......আসলেই? তাহলে আর ডিজিটাল টাইম, ২ টা ঢাকা সিটি হইতো না। নাকি হইতো?

Mia Mohammed Faruk

Mia Mohammed Faruk

২০১২.০২.১৭ ১৬:১৩
তিনি যা বলেছেন তা কি তিনি নিজে বিশ্বাস করেন? নিজেরা কি করেছিলেন আর কি করছেন তা তিনি না জানলেও দেশের মানুষ জানে। নীতিবাক্য সবাই বলতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে সুপ্রিমকোর্ট কি বলেছে আর আপনারা কি ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা তো আপনারা জানেন। Please honor the public demand. Learn from history.

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০২.১৭ ১৬:১৪
জনাব সুরঞ্জিত বাবুকে বলছি-
বাংলাদেশ, বাংলাদেশের জনগণের কথায় চলে এবং চলবে- এ বিষয়ে আমি আপনার কথায় একমত।
আপনি, আপনার সরকার এবং আপনার প্রধানমন্ত্রী যদি এটাই মনে করেন তবে `তত্ত্বাবধায়ক সরকার' থাকবে কি থাকবে না তার জন্য জনগণের মাঝে referendum-এর ব্যবস্থা কেন করলেন না। যদি আপনাদের সতসাহস থাকে তবে এখনই referendum-এর ব্যবস্থা করুন। দেখুন, বাংলাদেশের জনগণের কাছে আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু আছে।
আমরা সাধারণ জনগণ শান্তি চাই। দেশটাকে আর নরক-কুন্ডে পরিণত করবেন না।

mahfuz

mahfuz

২০১২.০২.১৭ ১৬:৪৫
He knows only how to talk... nothing else..!!!

MASUDUR RAHMAN

MASUDUR RAHMAN

২০১২.০২.১৭ ১৬:৪৮
সুরঞ্জিত সাহেব আপনি কি একটু রঞ্জিত !!!!! জনগনের দোহাই দিয়ে জনগনের সাথে প্রতারণা !!!!!!!!!!!!

ibne mizan

ibne mizan

২০১২.০২.১৭ ১৬:৫০
বাংলাদেশ আমেরিকার কথায় চলে না, এমন কথা জোর গলায় বলবো কি করে? সেই ৭১ সনে পাকিস্তান আমেরিকার কথায় আমাদের ক্ষমতা দিতে রাজি হয় নি। সে স্নায়ু যুদ্ধের সময়ে আমেরিকার ছিল রাশিয়া ভীতি। এখন তাদের রয়েছে ভারত ও চীন ভীতি।
মনে পড়ে ফখরুল মইনুলের শাসনের কথা। তখন ও আমেরিকার নির্দেশেই মঈন রা সাহস করে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে পারেন নি। তাছাড়া বাংলাদেশের এখন যা অবস্থা, তাতে মনে হচ্ছে, শুধু গার্মেনস শিল্পের যা অবস্থা, আমেরিকার আমদানী বন্ধ হলে আমরা এক বিশাল বাজার হারাবো। তাই, সব সরকার কেই "আমেরিকা সমিহ" নীতি গ্রহন করতে হয়।
মুখে যতই বলি, আমেরিকা এই সেই, তারাই সব গুটি চলাচালির মুল নায়ক।

২০১২.০২.১৭ ১৬:৫১
এদেশ চলে কিছু স্বল্পশিক্ষিত, দুর্নীতিবাজ, আর ক্ষমতাধর রাজনীতিজীবিদের কথা্য।

KAZI Rubel..

KAZI Rubel..

২০১২.০২.১৭ ১৭:০৪
আমাদের রাজনিতিবিদরা বিপদে পরলে আমেরিকাতে দৌড় দেন।আবার স্বার্থে আঘাত লাগলে বেঁকে বসেন। এইসব লজ্জাহীন চরিত্র গুলে দিন দিন জনগনের কাছে হাসির ও অ-শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে।।

Jamil

Jamil

২০১২.০২.১৭ ১৭:০৬
The more they talk the less they work...Stop playing game with peoples right.

Monika

Monika

২০১২.০২.১৭ ১৭:১২
বাংলাদেশ চলে ভারতের কথায়।

sufian

sufian

২০১২.০২.১৭ ১৭:২১
বাংলাদেশ চলে বাংলাদেশের জনগণের কথায়।আপনদের ক্ষেত্রে এই উক্তি সর্বৈব মিথ্যা।
জনগনের দোহাই দিয়ে জনগনের সাথে প্রতারণা আর কতদিন।

Wahid Saaim

Wahid Saaim

২০১২.০২.১৭ ১৭:২১
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত,ওবায়দুল কাদের সাহেবরাতো অন্তত মাঝে মধ্যে ভালো ভালো গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক বক্তব্য দেন। কিন্তু সে সব বক্তব্য দল উনাদের ক্ষমতাসীন আওয়ামি লীগের বর্তমান আচরণের ম্যাচ করে না।

২০১২.০২.১৭ ১৭:২৬
সরকার ভারতের কথা মত তো চলে।

২০১২.০২.১৭ ১৭:২৮
যতদিন না দেশ মাথা উচু করে দাড়াতে পারবে, ব্লেক সাহেবদের উপদেশ শুনে যেতেই হবে!!

riyadh

riyadh

২০১২.০২.১৭ ১৭:৩২
ব্লেক এর কথায় বাংলাদেশ চলে না... চলে ভারত এর কথায়। । । ।

Nirab

Nirab

২০১২.০২.১৭ ১৮:১১
এ কথায় শেষ পর্যন্ত অটল থাকতে পারবেন?

MD.SHAHINUZZAMAN

MD.SHAHINUZZAMAN

২০১২.০২.১৭ ১৮:১৩
This government is very cleaver.They are saying something through their mouth and possessing another thing in their heart.

anwar rana

anwar rana

২০১২.০২.১৭ ১৮:২২
সারা জীবন রাজনীতি করেছেন, নিজে কি পেয়েছেন, আর জনগনকে কি দিয়েছেন,

rebu

rebu

২০১২.০২.১৭ ১৮:৩২
thanks for সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

২০১২.০২.১৭ ১৮:৩৪
B N P.যা চায় তা দিয়ে দিন।না হলে আবার আন্দলন করবে.

Hossain Ahmad

Hossain Ahmad

২০১২.০২.১৭ ১৮:৩৬
জহির সাহেবের কথার সাথে আমি একমত ।একটা কথা না বললে ই নয়। দেশ বেলেকের কথায় চলেনা ১০০০ % ঠিক। দেশ চলে পাশের দেশের বাবুদের কথায় যখন এ দল খমতায় আসে।

Riyadh

Riyadh

২০১২.০২.১৭ ১৮:৩৬
বাংলাদেশ চলে বাংলাদেশের জনগণের কথায়। দাদার কথায় না ।

rebu

rebu

২০১২.০২.১৭ ১৮:৩৯
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাহেব ,তবে কথা আচে যে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়া আপনাদের উচিত, যেটা জনঘণ চায়/

Tipu

Tipu

২০১২.০২.১৭ ১৮:৫০
আমরা মানে জনগন সব বুঝি ........

mizanur rahman

mizanur rahman

২০১২.০২.১৭ ১৮:৫৪
রাজনৈতিক চাল খাটিয়ে মন্ত্রীত্বটাতো ভালোই বাগিয়ে নিয়েছেন। সময় থাকলে এই পৃষ্ঠায় মন্তব্যগুলো পড়ে দেখবেন। বাবুমশাই ব্লেক সাহেব দাওয়াত দিলে, লাইনের প্রথমে তো আপনাকেই দেখা যাবে। এদের পেছনে ছোটাছুটিতে তো আপনাদের জুরি নাই। এক এগারোর ভিডিও ক্লিপ গুলো দেখলে বুঝতে পারবেন যে কে কার পেছনে ছুটাছুটি করে। জনগনের কথা বলে জনগনকে আর কতো ধোকা দেবেন।
Mizanur Rahman,canberra,Australia

daud rahman

daud rahman

২০১২.০২.১৭ ১৮:৫৬
you just need to be honest for once in your lifetime!

mohammad rahman

mohammad rahman

২০১২.০২.১৭ ১৯:০১
মুখের শকতি আর কোমরের শক্তি দুটো আলাদা জিনিস ।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.০২.১৭ ১৯:১০
" ব্লেক সাহেবের কথায় বাংলাদেশ চলে না ", আপনি ঠিকই বলেছেন মাননীয় রেল মন্ত্রী। তবে জনগণের কথায় বাংলাদেশ চলে একথা ঠিক নয়্ ।অবশ্য জনগণ বলতে যদি ক্ষমতাসীন দলের নেতা-মন্ত্রী বুঝিয়ে থাকেন তবে ঠিক আছে।

Raihan

Raihan

২০১২.০২.১৭ ১৯:১৪
well said...but its not true but thanks to him as he has the guts to say it publicly...

sikder

sikder

২০১২.০২.১৭ ১৯:১৯
হা ঠিক বলেছেন তবে এখন চলে আপনাদের কথাই আর যখন বিএনপি ক্ষমতায় চিল তখন কিন্তু দেশ চলচিল তাদের কথাই।

mohammad rahman

mohammad rahman

২০১২.০২.১৭ ১৯:২৮
ব্লেক সাহেবের কথায় দেশ চলে না। চলে ভারতের কথায় !! সীমান্তে মানুষ মারছে একবারও তো লোকাল গার্জিয়ানকে কিছু বলার সাহস পাচছেন না !

shobuj

shobuj

২০১২.০২.১৭ ১৯:৩৮
গতো তিন বসোর থেকে দেশ India'r কথায় চলে ।

Najim Ahmed-Riyadh

Najim Ahmed-Riyadh

২০১২.০২.১৭ ১৯:৩৯
তাদের সামনে মাথা থাকে নিচ দিকে আর বাকি সবটুকু থাকে উপড় দিকে। তাদের আবার এত বড় বড় কথা !

Shadin

Shadin

২০১২.০২.১৭ ১৯:৪৩
অন্যদের বলার সুজোগ করে দেন কেন ?
াপনারা যদি সঠিক পথে চলতেন অন্যরা বলার সজোগ পেত না ...

২০১২.০২.১৭ ১৯:৫৫
now a days every one knows present government rule Bangladesh Indian opinion.

Jewel Habib

Jewel Habib

২০১২.০২.১৭ ২০:০১
Dear minister please tell us who run Bangladesh.

mohammad rahman

mohammad rahman

২০১২.০২.১৭ ২০:০৮
দেশ ভারতের কথায় চলেছে বলেই দেশ স্বাধীন হয়েছে ।আবার ভারতের কথায় দেশ চলছে বলেই দেশের স্বাধীনতা চলে গেছে ইজারাদারের হাতে !

২০১২.০২.১৭ ২০:১৫
try to do something good for this country and for the peples...

Saturday, January 28, 2012

মহাজোট ফুটন্ত কড়াই : আর বিএনপি-জামায়াত জলন্ত চুলা

যাযাদি রিপোর্টবাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, মহাজোট সরকারের তিন বছরে এ দেশের মানুষ কিছুই পায়নি। এ সময় দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, কিন্তু মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ডাবল ডিজিট ছুঁয়েছে মূল্যস্ফীতি। অথচ মানুষের আয় এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। ফুটন্ত কড়াইয়ের অসনীয় উত্তাপে দেশবাসীর জীবন আজ অসহনীয়! তাই দেশবাসী ফুটন্ত কড়াই থেকে বাঁচতে চায়। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত উদ্ধারকর্তার মুখোশ পরে হাজির হয়েছে। কিন্তু তারা কি মানুষের যন্ত্রণা থেকে উদ্ধার করতে পারবে? কারণ, মহাজোট যদি 'ফুটন্ত কড়াই' হয়, তাহলে বিএনপি-জামায়াত 'জ্বলন্ত চুলা'। একদিকে আপদ, অন্যদিকে বিপদ। আপদ-বিপদের বাইরে আছে 'মহাবিপদের' মহাসঙ্কেত। জামায়াত-শিবিরসহ অসংখ্য সশস্ত্র জঙ্গি সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মার্কিন-সৌদি টাকায় ষড়যন্ত্রের ছোবল হানতে উদ্যত হয়েছে। বিএনপিকে তিনি জামায়াতের সংশ্রব ত্যাগ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে জনতার সংগ্রামে শামিল হতে আহ্বান জানান। শুক্রবার রাজধানীর মৎস্য ভবন সড়কে সিপিবির খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমাও, জান বাঁচাও, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং জনজীবনের সঙ্কট নিরসনে ১১ দফা দাবিতে আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মঞ্জরুল আহসান খান। সভা পরিচালনা করেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। দীর্ঘ ১১ বছর পর অনুষ্ঠিত সিপিবির জাতীয় সমাবেশে সারাদেশের সব জেলা-উপজেলা থেকে পার্টির হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে যোগ দেন। তারা কাস্তে-হাঁতুড়ি খচিত লালপতাকা হাতে সমাবেশে আসেন। মূল বক্তব্যে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, রাজনীতি বাদ দিয়ে দেশ চালানোর চেষ্টায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি ইন্ধন দিচ্ছে। এসব দলে দলবাজি আছে। কিন্তু রাজনীতি থাকে না- আছে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি ও ক্যাডারবাজি। সমাবেশে রাজনৈতিক বক্তব্য নেই। আছে নেতা-নেত্রীর নামে জিগির করা, ছবির প্রদর্শন, নমিনেশন বাণিজ্য। এসব দলের নাম বদলে 'তদবির দল' বা 'তদবির লীগ' করলেই ভালো। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী বলেন- সব কিছু ভালো আছে। দ্রব্যমূল্য ৬ নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। দ্রব্যমূল্য বাড়লে শেখ হাসিনা সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারের কাজ বাজার করবে। এর আগে খালেদা জিয়ার একমন্ত্রী বলেছেন, 'আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়েছে'। সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের অকাল মৃত্যু সম্পর্কে সম্প্রতি এমন কথা একজন প্রতিমন্ত্রীও বলেছেন, অকাল মৃত্যু বলে কিছু নেই। এ ধরনের কথা ইসলামবিরোধী। কারণ জন্ম-মৃত্যু-হায়াৎ-মউত সব আল্লাহর হাতে। যারা বলে তারা ইসলাম মানে না। তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এজন্য রেসনিং ব্যবস্থা চালু, টিসিবিকে শক্তিশালী করতে হবে। ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু, বিএডিসিকে শক্তিশালী করতে হবে। বাফার স্টক গড়ে তুলতে হবে। ক্রেতা ও উৎপাদকদের সমবায় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে গণব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু সরকার এসব করবে না বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, সামাজ্যবাদের কারণে। তাই তিনি শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে কমিউনিস্ট পার্টিকে সরকার চালাতে দিতে বলেন। তিনি বলেন, মহাজোট সরকার বিদ্যুৎ, পেট্রল-ডিজেল-কেরসিনের দাম বাড়িয়েছে। পানির দাম বাড়ানো হয়েছে। সারের দাম বাড়িয়েছে। কোথায় গিয়ে এর শেষ হবে? ডলারের দাম বেড়েছে, টাকার দাম কমেছে। ব্যাংকে নগদ টাকা কমে গেছে। তারল্য সঙ্কট চলছে। ব্যাংক ঋণের বেশিরভাগ সরকার নিয়ে নিচ্ছে। নতুন মুদ্রানীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেছে। অর্থনীতিতে ভয়াবহ মন্দার পদধ্বনি স্পষ্ট হয়ে ওঠেছে। একটি বড় বিপদ সামনে। বিপদের লালবাতিকে অস্বীকার করাটা আরো বড় বিপদ বাড়ানোর চেষ্টা করা। তিনি বলেন, শেয়ার মার্কেটে ৩০ লাখ ক্ষুদে বিনিয়োগকারী পথে বসেছে। ৬০ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে। সরকারের মন্ত্রী বলেছেন, শেয়ারবাজারে সাত হাজার ইনডেক্স স্বাভাবিক, ১০ হাজার ইনডেক্স অস্বাভাবিক। এখন ইনডেক্স চার হাজারে নেমে এসেছে। এটা কিসের লক্ষণ? তিনি বলেন, '৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের ধারা থেকে দেশকে পাকিস্তানি ধারায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে সেই ধারাকে সংবিধানে ঢুকানো হয়েছে। কদিন আগে সুপ্রিম কোর্ট এসব সংবিধান বাতিল করলে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ দল। মহাজোটের পঞ্চদশ সংশোধনীর সুবাদে জামায়াতকে সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এরশাদের 'রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম' ও জিয়াউর রহমানের 'বিসমিল্লাহ' বহাল রাখা হয়েছে। মুজিবের দিক থেকে আওয়ামী লীগ বিএনপির দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, আপদ-বিপদ ও নতুন সংস্করণ ওয়ান ইলেভেনের বলয় থেকে দেশকে উদ্ধার করতে সিপিবি কমিউনিস্ট ঐক্যের ও বামপন্থীদের ঐক্যের ডাক দেন। মঞ্জরুল আহসান খান বলেন, তেল, গ্যাস, কয়লাসহ সব কিছুর সঙ্কট চলছে। দেশের সম্পদ লুটপাট করা হচ্ছে। গ্যাস, কয়লা লুটপাট করা হচ্ছে। আমরা দেশের সম্পদ লুটপাট করতে দেব না। তিনি বলেন, কুইক রেন্টালের নামে কুইক সরকারদলীয়দের পকেট ভারি করা হচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে এসব বন্ধ করতে হবে। দেশে এখন কেবল খাই-খাই পার্টি। নদী-খাল-বিল সব খেয়ে ফেলছে। পুকুর চুরি হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাশে ছিল। প্রতিবেশী সব দেশের সাথে সার্কভুক্ত দেশগুলোর আমরা বন্ধুত্ব চাই। ভারতের সাথে আমরা বন্ধুত্ব চাই কিন্তু কাটাতারের বেড়া দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। সীমান্তে অব্যাহত হত্যাকা-, তিস্তা, ফারাক্কা, টিপাইমুখ বা অন্যান্য অভিন্ন নদীর উপর একতরফা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বন্ধুত্ব হয় না। তিনি বলেন, সম্প্রতি সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা দমন করা হয়েছে। অতীতে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। দুজন রাষ্ট্রপতি, জাতীয় নেতারাসহ অনেককে হত্যা করা হয়েছে। সেনাবাহিনী বলেছে আমরা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা সাধুবাদ জানাই। এছাড়া তিনি ২০০১ সালে পল্টন বোমা হামলার বিচার দাবি করেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমদ বলেন, কিছুসংখ্যক কুলাঙ্গারের সহায়তায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে হানাদার বাহিনী হত্যা, লুণ্ঠন ও মা-বোনদের ধর্ষণ করেছিল। তাদের বিচার হয়নি। এই বিচার এ সরকার শুরু করলেও দেরি করে ফেলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বিলম্ব করে ফেলেছেন। তলে তলে আতাতের কথাও শুনি। তিনি প্রতিবেশী দেশ ভারত প্রসঙ্গে বলেন, যদি বন্ধুত্ব চান অভিন্ন ৫৭টি নদীর ওপর কোনো ধরনের স্থাপনা তৈরি করবেন না। প্রেসিডিয়াম সদস্য সহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন ও গার্মেন্ট শ্রমিকদের নূ্যনতম মজুরির দাবি বাস্তবায়ন করা হয়নি। সরকার মজুরি কমিশনের সুপারিশ না মেনে অগ্রহণযোগ্যভাবে মালিকপক্ষের কথায় মজুরি নির্ধারণ করেছে। বর্তমান শ্রম আইন শ্রমিকদের শোষণের বৈধ হাতিয়ার বলে উল্লেখ করেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো বলেন, আমরা এত বছরেও দেশপ্রেমিক সরকার পেলাম না। আমার দেশের গ্যাস, কয়লা যারা বিদেশিদের হাতে তুলে দেয় তারা দেশ কি দেশপ্রেমিক সরকার? আফগানিস্তান, ইরাকে বোমা ফেলতে আমেরিকাকে আমার দেশের আকাশ, নৌ ও সড়কপথ ব্যবহার করতে দেয়া হয় তারা দেশপ্রেমিক সরকার! তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার আমেরিকার সাথে সোফা চুক্তি করেছে। আমেরিকার সেলজাররা আমার দেশে যে কোনো পথে বিনা পাসপোর্টে ঢুকতে পারবে। এদেশে ধর্ষণ ও খুন করতে পারবে কোনো বিচার হবে না; লজ্জা, লজ্জা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তার সরকারকে আমেরিকা সরিয়েছিল। তাই বোধহয় তিনি ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে সব গ্যাস আর কয়লা আমেরিকাকে দিয়ে খুশি করতে চান। প্রবীণ সদস্য জসীম উদ্দিন ম-ল বলেন, ছোট জাত না মারলে বড় জাত হওয়া যায় না। দামি রেশমি শাড়ি তৈরি করব আমি কিন্তু সেটা আমার কপালে নাই। এ দেশের মালিক আমেরিকা আর সামাজ্যবাদ। তিনি বলেন, বিদেশের সঙ্গে চুক্তি করব যদি সেই চুক্তি তারা ভঙ্গ করে, তবে তাদের তালাক দেব। সভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য ক্ষেতমজুর নেতা শাসচ্ছুজ্জামান সেলিম, কৃষক নেতা সাজ্জাদ জহির চন্দন, নারী নেত্রী লক্ষ্মী চক্রবর্তী, গার্মেন্ট শ্রমিক আন্দোলনের নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব লাভলু, যুবনেতা কাফি রতন এবং ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বল। প্রসঙ্গত দীর্ঘ ১১ বছর পর সিপিবি এই জাতীয় সমাবেশের আয়োজন করে। এর আগে ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে সিপিবি লালপতাকার মহাসমাবেশ করেছিল। পল্টনের ওই সমাবেশে বোমা হামলায় হিমাংশু, মজিদ, মোক্তার, হাশেম ও বিপ্রদাশ শহীদ হয়েছিলেন। অনেকে আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। গতকাল সমাবেশ শেষে লালপতাকার মিছিল শাহবাগ-নিউমার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে সিপিবির ১১ দফা দাবি হচ্ছে- খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে জান বাঁচানো, গ্রাম ও শহরে গরিব মানুষের জন্য স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা, সরকারি ন্যায্যমূল্যের দোকান, ভোক্তা ও উৎপাদক সমবায় কার্যক্রম, টিসিবি ও বিএডিসির কার্যকর শক্তি বৃদ্ধি ইত্যাদির মাধ্যমে দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত 'গণবণ্টন ব্যবস্থা' গড়ে তোলা। এছাড়া রয়েছে ভেজাল রোধ করা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি প্রদানের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, টাকার খেলা বন্ধ, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা চালুসহ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো, উপজেলাসহ স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোকে আর্থিক ক্ষমতাসহ পূর্ণ কর্তৃত্ব দিয়ে ক্ষমতায়ন করা। '৭২-এর সংবিধানের মূল ভিত্তির পরিপন্থী সামপ্রদায়িক ধারা বাতিল করা এবং বিভিন্ন জাতিসত্তার আদিবাসীদের জাতি পরিচয়ের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও অন্যান্য অসম্পূর্ণতা দূর করে '৭২-এর সংবিধানের মূলভিত্তি পুন:প্রতিষ্ঠা করা, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, সামপ্রদায়িক, ধর্মান্ধ, উগ্র মৌলবাদী শক্তির তৎপরতা প্রতিহত করা। সার-ডিজেলসহ কৃষি উপকরণের দাম কমানো, প্রকৃত কৃষকের হাতে পাটসহ কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, ক্ষেতমজুরদের সারাবছর কাজের ব্যবস্থা ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রদান করা। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও তার সহযোগীদের আধিপত্য ও চক্রান্ত প্রতিরোধ করা, সব গোপন চুক্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করা এবং জাতীয় সংসদে পেশ করা, ট্রানজিট, তিস্তার পানিবণ্টন, অভিন্ন নদী শাসনসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তি-সমঝোতার প্রশ্নে বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বার্থরক্ষা ও পরিপূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সীমান্তে বিএসএফের হত্যা-নির্যাতন বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেয়া, পাঁচ হাজার টাকা জাতীয় নূ্যনতম মজুরি নির্ধারণসহ শ্রমিকদের উপযুক্ত মজুরি হার নির্ধারণ, স্থায়ী মজুরি কমিশন ও আইএলও সনদ মোতাবেক ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ও মহার্ঘ্য ভাতা প্রদান করা, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, যানজট, জলাবদ্ধতা, পরিবেশ বিপর্যয় ইত্যাদি সমস্যার জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির দাম বৃদ্ধি বন্ধ করা, ঘুষ-দুর্নীতি, বেপরোয়া চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, নদী-খাল-জলাশয় ভরাট ও দখল, তদবির-বাণিজ্য, সন্ত্রাস, ছিনতাই, যৌন-নির্যাতন, গুম-খুন, ক্রসফায়ার ও দমনপীড়ন বন্ধ করা। গৃহায়ণ, আবাসন, পরিবহন ও যাতায়াত, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প, পরিবেশ প্রভৃতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধনিক তোষণ নীতির আমূল পরিবর্তন করে গণমুখী নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা। দেশ থেকে দারিদ্র্য, বেকারত্ম, বৈষম্য দূর করার ব্যবস্থা কর, সমুদ্র বক্ষে তেল-গ্যাস উত্তোলনের জন্য কনোকো-ফিলিপসের সঙ্গে রপ্তানির সুযোগ রেখে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাতিল করে স্থলভাগে অথবা সমুদ্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের মাধ্যমে দ্রুত গ্যাস-তেল উত্তোলনের ব্যবস্থা করা এবং গ্যাস-তেল প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদের রপ্তানি নিষিদ্ধ করে সংসদে আইন পাস করা।

Sunday, January 22, 2012

সরকার উৎখাতের চেষ্টা ১১ সেনা কর্মকর্তাকে চিহ্নিত, জিজ্ঞাসাবাদ

সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান ও সরকার উৎখাতের ব্যর্থ চেষ্টার ঘটনায় গতকাল রোববার পর্যন্ত ১১ জন পদস্থ সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন মেজর জেনারেল, একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, দুজন লে. কর্নেল, ছয়জন মেজর ও ক্যাপ্টেন পদের একজন কর্মকর্তা।
দায়িত্বশীল সেনাসূত্র জানায়, ছয় সদস্যের তদন্ত আদালত এসব কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদের একজন কর্মকর্তাকে প্রধান করে গত ২৮ ডিসেম্বর সেনাসদর এ তদন্ত আদালত গঠন করে।
সেনাসূত্র জানায়, সংযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন কুমিল্লার ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার (জিওসি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সাভারে নবম পদাতিক ডিভিশনের ৭১ ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তারিকুল আলম, ঢাকা সেনানিবাসের লে. কর্নেল সারোয়ার ও লে. কর্নেল জগলুল হক। এঁদের এবং তানজীব নামের একজন ক্যাপ্টেনকে ঢাকা সেনানিবাসের লগ এরিয়ায় সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রিগেডে মেজর পদের দুজন ও সিগন্যালস ব্রিগেডে একজন মেজর সংযুক্ত আছেন। ঢাকার বাইরে রংপুর, কুমিল্লা ও সাভারে একজন করে মেজর পদের কর্মকর্তাকে সংযুক্ত করা হয়।
ফোনালাপের সূত্র ধরে এসব কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ওই সূত্র আভাস দিয়েছে।
১৯ জানুয়ারি সেনা সদর দপ্তরের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কিছু সদস্য দেশের গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত এবং সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর এ পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যায়। বলা হয়, সেনাবাহিনীর মধ্যম সারির কয়েকজন কর্মকর্তা এর সঙ্গে জড়িত। তাঁদের সংখ্যা ১৪ থেকে ১৬ জনের বেশি নয়।
ঢাকায় সেনাসূত্র জানায়, এ ঘটনা তদন্তে শুরুতেই কর্মকর্তারা মেজর জিয়াউল হকের ব্যাপারে তথ্য পান। এরপর এহসান ইউসুফ ও ব্যবসায়ী ইশরাক আহমেদের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তাঁদের ফোন নম্বরের সূত্র ধরে ৮ জানুয়ারি সাভারের ব্রিগেড কমান্ডার তারিকুল আলমকে লগ এরিয়ায় সংযুক্ত করা হয়। এর চার দিন পর ১২ জানুয়ারি সংযুক্ত করা হয় কুমিল্লার জিওসি কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন তানজীবকে। অন্য দুই লে. কর্নেলকে ১৫ জানুয়ারি সংযুক্ত করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সেনাসূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বলে চিহ্নিত ইশরাক আহমেদ কুমিল্লার জিওসির সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তবে জিওসি এ তথ্য কোনো কর্তৃপক্ষকে জানাননি। তদন্ত আদালত এখনো কামরুজ্জামানের জবানবন্দি নেননি বলে জানা গেছে।
ওই সূত্রমতে, ইশরাক ৭১ ব্রিগেডের কমান্ডার তারিকুল আলমের সঙ্গেও দেখা করেন। ইশরাক নিজে ব্রিগেড কমান্ডারের কার্যালয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদে তারিকুল আলম এ তথ্য স্বীকার করেন। তারিকুল বলেন, ইশরাকের সুইডেনপ্রবাসী ভাই ইতরাক তাঁর পরিচিত। সেই সূত্র ধরে ইশরাক তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। ইশরাক একটি উপহার নিয়ে তাঁর কাছে আসেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপহার পাওয়ার পর ইশরাকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তারিকুল। তিনি ফোনে এসএমএস ও ই-মেইল করেন। এসব এসএমএস ও ই-মেইল তদন্তকারীদের হাতে রয়েছে।
অভ্যুত্থান ছক: গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান ও সরকার উৎখাতের ব্যর্থ চেষ্টার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা প্রথমে সেনাপ্রধানসহ চারজন পদস্থ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাঁরা একটি কল্পিত সরকারব্যবস্থার ছক তৈরি করেন। ছক অনুযায়ী, জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের মন্ত্রী পদে বসানো হতো। গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা এহসান ইউসুফের ল্যাপটপে এসব পরিকল্পনার কথা উল্লেখ রয়েছে।
উগ্রপন্থীর সঙ্গে যোগাযোগ: সূত্রটি জানায়, পলাতক মেজর জিয়াউলের সঙ্গে নিষিদ্ধঘোষিত উগ্রপন্থী সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে। এ মাসের শুরুতে সেনানিবাস এলাকায় হিযবুত তাহ্রীর একটি প্রচারপত্র বিতরণ করে। এতে শেখ হাসিনার সরকারকে অপসারণের আহ্বান জানানো হয়। ১৫ জানুয়ারি হিযবুত একই বিষয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পোস্টার সাঁটায়। জিয়াউল ছাড়াও এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া লে. কর্নেল হাসিনুর রহমানসহ আরও তিনজন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে হিযবুত তাহ্রীরের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
র‌্যাব জানায়, বিদেশে যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গত ২৮ জুলাই হিযবুতের নেতা ও ব্যবসায়ী মাহমুদুল বারীকে র‌্যাব গ্রেপ্তার করে। তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এতে তিনি বলেন, চাকরিরত দুজন লে. কর্নেল হাসিনুর রহমান ও লে. কর্নেল যায়ীদ এবং অবসরপ্রাপ্ত একজন লে. কর্নেল ও একজন মেজরের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। হাসিনুরের সঙ্গে তিনি গুলশানের একটি হোটেলে বৈঠক করেন। এ ছাড়া জঙ্গিনেতা মওলানা ইয়াহিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাসিনুরের নাম বলেছিলেন বলে র‌্যাব গোয়েন্দাপ্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান প্রথম আলোকে জানান।
তবে হাসিনুরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন তাঁর স্ত্রী শামীমা আখতার। গত শনিবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হরকাতুল জিহাদের নেতা মওলানা ইয়াহিয়াকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করেন হাসিনুর। তিনি অনেক জঙ্গিনেতাকে ধরতে সক্ষম হন। তিনি জঙ্গি দমন করেছেন। লে. কর্নেল যায়ীদের ছোট ভাই আ. আ. জাবীদ বলেন, তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে কখনো কোনো উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর যোগাযোগ ছিল না। আইএসপিআরের এ-সংক্রান্ত সংবাদ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।

পাঠকের মন্তব্য



সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন

mohammad rahman

mohammad rahman

২০১২.০১.২৩ ০৩:০২
বাংলাদেশের জন্যে বিভক্তি নয় । দরকার রাজ ৈনতক সমঝোতা । সামাজিক ন্যায় বিচার। আইনের শাসন। গ নমুখী ইস্যু ৈতরি করে সমমিলিত চেষটায় সুখি সমাজ গঠন। রাজ ৈতিক স্বার্থ সিদধীতে যত বেশি তৎপরতা চলবে সমাজও তত বিভক্ত হবে । অপশাক্তি সমাজের বিভক্তি আর অশান্তিকে পুজি করে স্বার্থ সিদধির চেষটা চালায় ! অপশক্তি দমনে সর্বো ৎকৃষট পনথা হল অপশক্তি কে সুযোগ না দেয়া

Hafizur Rahman

Hafizur Rahman

২০১২.০১.২৩ ০৩:০৫
It is very sensetive issue. I think this types of consperacy may be started a long time ago. The Army intelligence might have found their plan in initial stage. Our army, RAP and police intelligence group should be more active and efficient. In BDR issue they failed to find for that we had to sacrify 47 livies of army officers. Army officers were our assets but we lost we connot cover it at all.

রহমান

রহমান

২০১২.০১.২৩ ০৩:২২
শেখ হাসিনার সরকারকে যারা উত্খাত করতে চেয়েছে তাদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।

MUHAMMAD

MUHAMMAD

২০১২.০১.২৩ ০৩:৫২
সেনাবাহিনীকে দলীয় করনের জন্যই এ কাহিনী বানানো হয়েছে।

daud rahman

daud rahman

২০১২.০১.২৩ ০৫:২৬
থলের বিড়াল বের হচ্ছে! সুষ্টু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত চাই .... and keep us posted!

mohammad rahman

mohammad rahman

২০১২.০১.২৩ ০৬:১৬
বাংলাদেশের জন্যে দরকার গনমুখী ইস্যু ৈতরি করে সমমিলিত চেষটায় সুখি সমাজ গঠন। রাজ ৈতিক স্বার্থ সিদধীতে যত বেশি তৎপরতা চালান হবে সমাজ ততই বিভক্ত হবে । অপশাক্তি সমাজের বিভক্তি অশান্তিকে পুজি করে স্বার্থ সিদধির চেষটা চালায় !

Sheikh Rafiq

Sheikh Rafiq

২০১২.০১.২৩ ০৯:০১
Big man behind, please find out ???

nurul absar hussain

nurul absar hussain

২০১২.০১.২৩ ০৯:৩৪
সেনা বাহিনীকে অবিশ্বাস করার কোনো কারণ নাই. আমরা পুরা ব্যাপারটা জানিতে চাই. এইটা জাতির জন্য আর গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ বিপদ. অপরাধী যেই হৌকানা কেন আইন যেন সবার জন্য প্রয়ুগ হই.

Md. Imran Ullah

Md. Imran Ullah

২০১২.০১.২৩ ০৯:৫৯
সেনাবাহিনী বাংলাদেশের গর্ব। কিছু কুচক্রী সবসময়ই চেয়েছে সেখানে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে। যেহেতু, ষঢ়যন্ত্র ফাস হয়ে গেছে এখন অপরাধীদের মিডিয়ার সামনে উপস্থিত করে জনগণকে আসল ঘটনা জানানো উচিত এতে জনগণকে যারা বিভ্রান্ত করতে চাইছে তাদের মুখোশ ও খুলে যাবে।

MD. ZULHASH UDDIN

MD. ZULHASH UDDIN

২০১২.০১.২৩ ১০:০৫
I THINK ITS A DRAMA BY GOVERMENT..........

Mohammad

Mohammad

২০১২.০১.২৩ ১০:৩১
সরকার এতদিন পর হৈচৈ শুরু করল কেন, ঘতনা যদি আরও আগে সঙ্ঘথিত হয়ে থাকে ??

M. Abdul. Hannan

M. Abdul. Hannan

২০১২.০১.২৩ ১০:৩৪
এতো দেখছি ১৫ই আগসটের থেকেও আরেকটা ভয়াবহ ডিসেমবর হতে যাইতাছিল। কারন ১৫ই আগসটে কোন মেজর জেনারেল বা ব্রিগেডিয়ার জড়িত থাকার নাম শুনিনি।

noyonika

noyonika

২০১২.০১.২৩ ১০:৪৫
একটি তথ্যবহুল নিউজ প্রকাশের জন্য প্রথম আলোকে ধন্যবাদ। সেনাবাহিনীর মধ্যেকার আরো গোপন তথ্য বের করে দোষীদের শাস্তি কামনা করছি।

Md. Shahidullah

Md. Shahidullah

২০১২.০১.২৩ ১০:৫২
বাঘ আসিল বাঘ আসিল বলিয়া তামাসা করিতে করিতে সত্যিই একদিন বাঘ আসিয়া পড়িতে পারে... সাবধান !

robiul

robiul

২০১২.০১.২৩ ১০:৫৫
যাদেরকে দোষী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদেরকে মিডিয়ার সামনে উপস্থিত করে জাতিকে দেখানো হোক।

S.M. Arman

S.M. Arman

২০১২.০১.২৩ ১১:০০
সেনাবাহিনীতেও হিযবুত তাহরীর !!! খুবই শংকিত বোধ করছি।