kazi ashraful islam

kazi ashraful islam

Tuesday, February 7, 2012

১০ দিন নয়, তিন দিন আগে রেলের অগ্রিম টিকিট: সুরঞ্জিত

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

কালোবাজারি বন্ধ করতে ট্রেনের আগাম টিকিট ১০ দিনের বদলে তিন আগে বিক্রির নিয়ম চালু করা হচ্ছে। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নিয়ম কার্যকর করা হবে এবং একজন যাত্রী সর্বোচ্চ চারটি অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। আজ মঙ্গলবার রেল ভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সুরঞ্জিত জানান, ই-টিকেটিং বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া দ্রুত চালু করা হবে।
সুরঞ্জিত বলেন, ‘টিকিট বিক্রি নির্ঝঞ্ঝাট ও সহজলভ্য করতে এবং কালোবাজারি নিরুত্সাহিত করতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ এ ছাড়া টিকিট কিনতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে কেনার প্রস্তাব রয়েছে। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি এখনো বিবেচনাধীন।’
রেলের ভাড়া কম হওয়াই টিকিট কালোবাজারি হওয়ার জন্য দায়ী বলে মনে করেন সুরঞ্জিত। তিনি বলেন, ‘গত ২০ বছর ধরে রেলের ভাড়া না বাড়ানোয় বাজারের অন্যান্য পরিবহনের সঙ্গে ভাড়ার পার্থক্য অনেক বেশি বেড়ে গেছে। ফলে বিভিন্ন স্থানে টিকিট কালোবাজারির খবর পাচ্ছি।’ এ ছাড়া রেলের ভাড়া কম রেখে কালোবাজারি বন্ধ করাও সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রেলের ভাড়া বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়টি জনগণের ওপর ছেড়ে দিতে চাই। কারণ রেলের ওপর সাড়ে ৭০০ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা না কমালে রেলের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো সম্ভব হবে না।’
ঢাকার যানজট কমাতে বেলপথ ও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো ছাড়া কোনো উপায় নেই মন্তব্য করে রেলমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রুটে আরও দুটি ট্রেন বাড়ানো হবে। পুরোনো ট্রেনগুলো সংস্কার করে এ রুটে চালানো হবে। এ ছাড়া ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রুটে তৃতীয় ও চতুর্থ লেন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় কোম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ মাসেই একটি ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বর্তমানে রেলের সংস্কার কর্মসূচিতে ২২ হাজার কোটি টাকার ৩৪টি প্রকল্প চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আরও ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়ার আলোচনাও চলছে। এসব উদ্যোগ সফল হলে ঢাকার যানজট কমবে বলে মনে করেন সুরঞ্জিত।

পাঠকের মন্তব্য



সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন

*Mohammad

*Mohammad

২০১২.০২.০৭ ১৪:৪২
We appreciate you Mr. Minisiter for talented initiative.

Mridul Kanti Das

Mridul Kanti Das

২০১২.০২.০৭ ১৪:৪৬
তাতে কি সমস্যা খুব কমবে!
বড় ডিসপ্লে বোর্ড এর ব্যবস্থা করতে হবে যাতে টিকিট কাটার তথ্য সবাই দেখতে পায়

Mridul Kanti Das

Mridul Kanti Das

২০১২.০২.০৭ ১৪:৪৬
তাতে কি সমস্যা খুব কমবে!
বড় ডিসপ্লে বোর্ড এর ব্যবস্থা করতে হবে যাতে টিকিট কাটার তথ্য সবাই দেখতে পায়

Md Dalim

Md Dalim

২০১২.০২.০৭ ১৪:৫৪
অসংখ্য ধন্যবাদ সুরঞ্জিত স্যারকে । কি করছেন জানিনা তবে জনগনের মঙ্গল হোক এইরকমটাই করবেন আশা করি ।

Md. Farhan Bin Razzaque

Md. Farhan Bin Razzaque

২০১২.০২.০৭ ১৪:৫৭
good decision

jahangiralam

jahangiralam

২০১২.০২.০৭ ১৪:৫৯
এই উদ্যেগ প্রশংসনীয়। এর ফলে হয়তো কিছুটা দুর্নীতি কমবে।

Md. S.K.Nasim

Md. S.K.Nasim

২০১২.০২.০৭ ১৫:০৯
Good initiatives but need to clear that will it available for general public or black market ?

nasir

nasir

২০১২.০২.০৭ ১৫:১৩
ধন্যবাদ স্যার নতুন সিষ্টেম চালু করার জন্য।

Md. Harun-Or-Rashid

Md. Harun-Or-Rashid

২০১২.০২.০৭ ১৫:৩৬
সন্দেহ নাই এটা একটা ভাল কাজ।
তবে সবার আগে যা করা দরকার তা হল রেলের উন্নয়নে দীর্ঘ মেয়াদি এক মহাপরিকল্পনা। কতিপব রাগব বোয়ল যারা ট্রান্সপোর্ট বিজনেস এর সাথে জরিত যারা আবার মন্ত্রীও তারা চায়না রেল আধুনিক হোক।
মানণীয় মন্ত্রী আমরা আশাবাদী আপনার হাত ধরে রেল আধুনিক হবে.. আপনি এগিয়ে যান আমরা আপনার সাথে আছি

Md. Abdur Rahim

Md. Abdur Rahim

২০১২.০২.০৭ ১৫:৪৯
Thanks for starting a new rule for ticketing. But,It is very important to build up another facilities such as seat for all passengers. Because There are more passengers than available seats.

Toru Shen

Toru Shen

২০১২.০২.০৭ ১৫:৫৪
আগে একজন যাত্রি অনেকগুলো টিকেট কাটতে পারতো, এটা তো ঠিকা না। আগে থেকেই চারটার বেশী টিকেট কাটা যায় না। আর তিনদিন আগ্রিম সিস্টেম চালু করার ফলে লাইনে ব্যপক ভিড় হবে। ১০ দিন আগে দেওয়াতেই ভিড় সামলানো যায় না আর তিন দিন!!! বিনা টিকেটে ট্রেন ভ্রমন, সঠিক সময়ে যাত্রা আর ট্রেনের ভিতরে টিকেট বাণিজ্য ইত্যাদি বিষয়ে ব্যবস্থা নিলে মনে হয়, জনগণ আরো উপকৃত হতো।

Md. Mahfuzul Haque Parvez

Md. Mahfuzul Haque Parvez

২০১২.০২.০৭ ১৫:৫৭
বিষয়টি ভাল কিন্তু এতে টিকিট কাটতে লাইন ধরে থাকতে হবে ঘন্টার পর ঘন্টা । তাই টিকিটের জন্য বিভিন্ন জায়গায় বুথ স্থাপন করলে মানুষের ভোগান্তি কমবে । তবু মন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ কিছু করার জন্য আন্তরিকতা থাকায়।

Md. Zakir Hossain

Md. Zakir Hossain

২০১২.০২.০৭ ১৬:০৯
Train Schedule is the first problem of the passenger's, Ticket does not matter.

Arch Reda Hossain

Arch Reda Hossain

২০১২.০২.০৭ ১৬:১১
Go Ahead !! we appreciate your initiative.

Mesba

Mesba

২০১২.০২.০৭ ১৬:২০
We appreciate the decision. Hope it will be helpful for us. Thanks to Minister Suranjit Sen Gupta.

শিহাব শাহরিয়ার

শিহাব শাহরিয়ার

২০১২.০২.০৭ ১৬:২২
সমস্যা কমবেনা , রেলের সংখা বাড়ান

shahin

shahin

২০১২.০২.০৭ ১৬:৩৫
কথা বলা সহজ কিন্তু দেশ চালানো আসলেই কঠিন। তাই না ?????

Bulbul Ahmed

Bulbul Ahmed

২০১২.০২.০৭ ১৬:৫৯
কালোবাজারি নিরুত্সাহিত করতে ট্রেনের আগাম টিকিট ১০ দিনের বদলে তিন আগে বিক্রির নিয়ম চালু করা হচ্ছে। .......!!!!!
কালোবাজারি নিরুত্সাহিত করার বাজে নিয়ম হবে। .
Good job, He is working....on Bangladesh Railway.

Mahmud Hasan Khan

Mahmud Hasan Khan

২০১২.০২.০৭ ১৭:২৭
ভালো উদ্যোগ। একই সাথে আবেদন করছি ডেবিট ক্রেডিট কার্ড দিয়ে অনলাইনে যাতে টিকেট কাটা যায় তার ব্যবস্থা দ্রুত করা।

আরেকটি আবেদন জানাচ্ছি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে আরো ট্রেন দিন। প্রয়োজনে ভাড়া বাড়িয়ে আরো ট্রেনের ব্যাবস্থা করুন। বাসের ভঅড়ার বিপরীতে ট্রেনের ভাড়া বর্তমানে অর্ধেকেরও কম। এটা চলতে থাকলে রেলের লোকসান আরো বাড়বে এবং এর উন্নয়নও হবেনা সেভাবে।

জি,এম ফ্রেজার

জি,এম ফ্রেজার

২০১২.০২.০৭ ১৭:৩৬
সুরঞ্জিত বাবু, তথাকথিত বেসরকারী ট্রেন গুলো কে রাষ্ট্রিয় আওতায় আনেন -
ট্রেন সরকারের, তেল সরকারের, লাইন সরকারের জনবল সরকারের শুধু টেন্ডার বিনিময়ে এই ট্রেন গুলো বেসরকারী নামে সরকারী টাকা লুটেরা কর্মকর্তা ও ধান্দাবাজদের থেকে রেলকে বাঁচান। বেসরকারী করনের ফলে প্রতিটি ট্রেন থেকে সরকার প্রতিদিন নুন্যতম ২ লক্ষ টাকা বঞ্চিত হচ্ছে আর এই ট্রেডিশন চালু রাখতে একটি মহল ডিজি থেকে শুরু করে – প্রত্যেকটি ষ্টেশনের হেডমাষ্টার পর্যন্ত মাশোয়ারা পেয়ে থাকে।

মন্ত্রী,আপনি এই প্রথা তুলে রেলকে উদ্ধার করুন।

Dr. Md. Abu Imran

Dr. Md. Abu Imran

২০১২.০২.০৭ ১৭:৩৯
রেলের ওয়েব সাইট থেকে অনলাইন টিকিট কিনতে চাই। পেমেন্ট করবো DBBL ডেবিট কার্ড দিয়ে

Zulfiqer Atiq

Zulfiqer Atiq

২০১২.০২.০৭ ১৭:৫০
মাননীয় মন্ত্রী, আপনার সব পদক্ষেপ বা সিদ্ধান্ত ভাল লাগে। কিন্তুু কিছু পদক্ষেপ বা সিদ্ধান্ত নিয়ে চিন্তায় পড়ে যাই। আপনি বললেন- একজন একত্রে চারটির বেশী টিকেট সংগ্রহ করতে পারবে না। কিন্তুু মাননীয় মন্ত্রী, আমার তো’ চারটি সন্তান। স্বামী স্ত্রী মিলিয়ে সর্বমোট ছয়জন পরিবারের সদস্য। আমার প্রশ্ন যে, আমি ঈদের সময় আমরা স্বামী স্ত্রী গ্রামের বাড়ীতে ঈদ করবো নাকি আমার চার সন্তান গ্রামের বাড়ীতে ঈদ করবে। অথবা আমি কিভাবে ছয়টি টিকেট সংগ্রহ করবো দয়া করে পরামর্শ দিবেন।

২০১২.০২.০৭ ১৮:১৪
সারা দেশে জালের মত এটিএম বুথ ছড়িয়ে গেছে, এগুলির বহুবিধ উপযোগিতা নিশ্চিত করলে জনগনের জন্য, দেশের জন্য, সরকারের জন্য খুবই ভাল হবে। এখন রেলের টিকেট নিয়ে কারচুপির/কালোবাজারির অভিযোগ উঠে, তা রোধে এবং জনগনের টিকেট প্রাপ্তি আরো সহজ লভ্য করতে এটিএম বুথগুলিকে কাজে লাগালে খুবই ভাল হয়। অর্থাৎ রেল(সরকার/পরিকল্পনা কমিশন) যদি ব্যাংকগুলির সাথে চুক্তি বদ্ধ হয় যে, যে কেহ চাইলে এটিএম কার্ড ধারী (ডেবিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ভিসা কার্ড, এটিএম কিউ-ক্যাস কার্ড) এগুলি এটিএম বুথগুলিতে তে ব্যবহার করে টাকা উঠানো এবং চাইলে রেলের টিকেটও ক্রয় করতে পারেব, যা সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে সম্পাদন হবে, সেই সাথে মোবাইলে টিকেট ক্রয়ের ব্যপারেটিও উন্মুক্ত রাখতে হবে। সর্বপরি ষ্টেশন গুলিতে ম্যানুয়াল টিকেট বিক্রয়কে নিরুৎসাহিত করতে হবে। এবং একপর্যায়ে ম্যানুয়াল টিকেট ক্রয়/বিক্রয়কে বন্ধ করে দিতে হবে। তাহলেই রেল একটি আধুনিক সংস্থায় পরিনত হতে এক পা এগিয়ে যাবে। এবং জনগন/যাত্রীগন ও এর সুফল পাবে।
.
বর্তমানে ঢাকা শহরের ৮০% মানুষ এটিএম বুথ থেকে টাকা উঠায়(ব্যবহার করে)। যেখানে থেকে যে কেউ চাইলে ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ভিসা কার্ড, এই সমস্ত কার্ড ব্যবহার করে উক্ত বুথ গুলি থেকে ২৪ঘন্টা টিকেট ক্রয় করতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে।

Salim Sharif

Salim Sharif

২০১২.০২.০৭ ১৮:১৪
খুব ভাল সিদ্ধান্ত, মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, তবে মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং করতে হবে নইলে কোন লাভ হবে না। যেভাবে সড়ক পরিবহনের ভাড়া বাড়ছে তাতে রেলপথ যাতে মানুষ বেশী ব্যবহার করতে আগ্রহী হয় এবং প্রকৃত সুবিধা ভোগ করতে পারি তার ব্যবস্থা করতে হবে।

Tanvir Ansary

Tanvir Ansary

২০১২.০২.০৭ ১৮:১৮
টিকিটের কাউন্টার বাড়াতে হবে। টিকিটের বিক্রির জন্য ঢাকায় কয়েকটি বিক্রয় কেন্দ্র খুলতে হবে। নিয়মিত যাত্রীরা জানে কাকে ফোন দিলে ব্লাকে টিকিট পাওয়া যায়। এরা রেলের বাইরের কেউ না। ৯টা বাজলেই বিভিন্ন কাউন্টারের পাশাপাশি ভিতরেও টিকেট কাটার ধুম পরে যায়। আধা ঘন্টার মাঝেই সব টিকেট শেষ হয়ে যায়।

Md. Amzad Hossain (Mukul)

Md. Amzad Hossain (Mukul)

২০১২.০২.০৭ ১৮:১৮
সন্দেহ নাই এটা একটা ভাল কাজ।
তবে সবার আগে যা করা দরকার তা হল রেলের উন্নয়নে দীর্ঘ মেয়াদি এক মহাপরিকল্পনা। কতিপব রাগব বোয়ল যারা ট্রান্সপোর্ট বিজনেস এর সাথে জরিত যারা আবার মন্ত্রীও তারা চায়না রেল আধুনিক হোক।
মানণীয় মন্ত্রী আমরা আশাবাদী আপনার হাত ধরে রেল আধুনিক হবে.. আপনি এগিয়ে যান আমরা আপনার সাথে আছি

Salim Sharif

Salim Sharif

২০১২.০২.০৭ ১৮:২২
খুব ভাল সিদ্ধান্ত, মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, তবে মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং করতে হবে নইলে কোন লাভ হবে না। যেভাবে সড়ক পরিবহনের ভাড়া বাড়ছে তাতে রেলপথ যাতে মানুষ বেশী ব্যবহার করতে আগ্রহী হয় এবং প্রকৃত সুবিধা ভোগ করতে পারি তার ব্যবস্থা করতে হবে।

Md. Sakibur Rahman

Md. Sakibur Rahman

২০১২.০২.০৭ ১৮:২৩
sms information service সকল station এ চালু করা উচিত। সর্ব্বোচ্চ টিকিট চারটির কম করলে আরো ভালো হত।

Champok Das

Champok Das

২০১২.০২.০৭ ১৮:২৪
Good decision. I think it's to be more effective if ticket will be sale non refundable system or 50% return.

Voice of the Bay of Bengal

Voice of the Bay of Bengal

২০১২.০২.০৭ ১৮:৩৩
To Mr. Minister,
C.C Camera can be installed in the Railway Ticket counter to monitor ticket selling activities.
Because most of the time the counterman collect tickets themselves to sell out of the counter...
Thanks

N. Hasan Razu

N. Hasan Razu

২০১২.০২.০৭ ১৮:৩৪
একদল মন্তব্যকারীর কাজই হল ধন্যবাদ, থ্যান্কয়্যু, সাধুবাদে লাল করে ফেলা। আমি গত সপ্তাহে ছুটির সময়ের টিকেটের জন্য কমলাপুর গিয়েছিলাম। সবগুলো ডিসপ্লে বন্ধ, কোন টিকেট নেই। এদের দৌরাত্ম বন্ধ করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেন্জ, দুদিন পড় পড় সাংবাদিক ডেকে সম্মেলন করে আর মধুর মধুর বুলি আউরিয়ে ভাড়া বাড়ালে লোকসানের বোঝা কমবে না। বরং আমি মনে করি এটি বাস মালিকদের খুশি করতে একটা পদক্ষেপ মাত্র। জনগন টিকেট কিনে ট্রেনে উঠে এর চেয়ে ভাল জনগনের সমর্থন আর কি হতে পারে ? একে পুজি করে টিকেট ধান্দাবাজিটা পারলে বন্ধ করেন।

Dokho Mia

Dokho Mia

২০১২.০২.০৭ ১৮:৩৪
রেলের ভাড়া বাড়ানোর পক্ষে আমি কারণ আমি আমার স্থান থেকে ঢাকায় যেতে ১৫০ টাকা বাসে করে যায় সেই জায়গাতে রেলের ভাড়া ৬৫ টাকা। যদি এটা ১০০ টাকা করা হয় তাহলে হইত সাধারণ জনগণ টিকেট পাবে। কারণ আমরা কালোবাজার থেকে টিকেট কিনি ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। আর ৩ দিন আগে দিলে আশা করি একটু কম ই কালোবাজারি হবে। তবে টিকেট কালোবাজারির সঙ্গে আমাদের টিকেট কাউন্টার এর লোক জড়িত। তারা ই টিকেট গুলো কালোবাজারি লোকদের হাতে তুলে দেয়। এমন কি পুলিশ এর সামনে এমন হচ্ছে কিন্তু পুলিশ কিছু বলছে না।

Tanvir Ansary

Tanvir Ansary

২০১২.০২.০৭ ১৮:৪০
@ Zulfiqer Atiq
ভাই, সরকারের জনসংখ্যা নীতিমালা মানেন নাই, কিন্তু সরকারের কাছে পূর্ন সুবিধা চান, এটা কি ঠিক?

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.০২.০৭ ১৯:০৯
রেলের উপর ৭০০ কোটি টাকা লোকসানের বোঝার কারন টিকেটের দাম কম তা নয় ।সাধারণ মানুষের উপর টিকেটের বধি'ত মূল্য চাপিয়ে দেবার জন্যই কৌশল নিয়েছেন সেন বাবু । রেলের দুরনীতিবাজ কম'চারীদের যোগসাজসে বিনা টিকেটে মানুষ যাতায়ত করতে পারে বলেই রেল লোকসান দিচেছ । দুনী'তি বনদধ করলেই লোকসান না দিয়ে রেল লাভবান হতে পারবে তাতে কোন সনেদহ নাই ।

No comments:

Post a Comment